spot_img

দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যে শুল্ক বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করলো ট্রাম্প

অবশ্যই পরুন

দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যের ওপর শুল্ক বাড়াবেন বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার বলেছেন। এর মধ্যে গাড়ি, কাঠ ও ওষুধও থাকবে। এই শুল্ক বাড়লে এর হার ১৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৫ শতাংশ হবে। দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা আগের বাণিজ্য চুক্তির শর্ত ঠিকভাবে মানছে না বলে অভিযোগ করেন ট্রাম্প।

ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ লেখেন, ‘দক্ষিণ কোরিয়ার সংসদ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা চুক্তি ঠিকভাবে বাস্তবায়ন করছে না।’ তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার সংসদ ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তিটি অনুমোদন না করায় তিনি শুল্ক বাড়াচ্ছেন, যদিও এটি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্তের বিষয়। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানায়, শুল্ক বাড়ানোর পরিকল্পনা সম্পর্কে তাদের আগেই কিছু জানানো হয়নি।

তারা জানায়, বর্তমানে কানাডায় থাকা বাণিজ্যমন্ত্রী কিম জুং-কোয়ান এ বিষয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন এবং মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

এই অবস্থান পরিবর্তন এসেছে কয়েক মাস পর, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া একটি বাণিজ্য ও নিরাপত্তা চুক্তিতে পৌঁছেছিল। ওই চুক্তির মাধ্যমে দীর্ঘদিনের টানাপোড়েনের অবসান হয়েছিল।

অক্টোবরে ট্রাম্প ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ংয়ের বৈঠকের পর চুক্তিটি চূড়ান্ত হয়। এতে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক কমানোর কথা ছিল।

চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র দক্ষিণ কোরিয়ার গাড়ি, গাড়ির যন্ত্রাংশ ও ওষুধের ওপর সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ শুল্ক রাখবে। বিশেষভাবে, দক্ষিণ কোরিয়ার গাড়ির ওপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছিল। কিন্তু ট্রাম্পের নতুন হুমকি কার্যকর হলে সেই সিদ্ধান্ত উল্টে যাবে।

যুক্তরাষ্ট্রে দক্ষিণ কোরিয়ার মোট রপ্তানির ২৭ শতাংশ আসে গাড়ি শিল্প থেকে। দেশটি তার মোট গাড়ি রপ্তানির প্রায় অর্ধেকই যুক্তরাষ্ট্রে পাঠায়।

শুল্ক বাড়লে দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্য জাপান ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের তুলনায় পিছিয়ে পড়তে পারে, কারণ ওই দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ১৫ শতাংশ শুল্কের চুক্তি করেছে। এখনও পর্যন্ত ট্রাম্প প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে শুল্ক বাড়ানোর কোনো নোটিশ দেয়নি।

দক্ষিণ কোরিয়াকে লক্ষ্য করে দেওয়া এই হুমকি সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের অন্যান্য বাণিজ্যিক হুমকিরই অংশ। তিনি কানাডাকে সতর্ক করে বলেন, যদি তারা চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করে, তাহলে সীমান্ত দিয়ে আসা সব পণ্যের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক বসানো হবে।

এ ছাড়া জানুয়ারির শুরুতে ট্রাম্প ইউরোপের কয়েকটি দেশকে শুল্ক আরোপের হুমকি দেন, যতক্ষণ না তারা গ্রিনল্যান্ড কেনার বিষয়ে রাজি হয়। পরে তিনি সেই হুমকি থেকে সরে আসেন।

সর্বশেষ সংবাদ

পরিবেশ অত্যন্ত চমৎকার, উৎসবমুখর পরিবেশে প্রচারণা চলছে : ইসি আনোয়ারুল

নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, অতীতের অনেক নির্বাচনের তুলনায় এবারের নির্বাচনের মাঠের পরিবেশ অত্যন্ত চমৎকার। রাজনৈতিক দলগুলোর...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ