বিক্ষোভকারীরা পুলিশের মোটরসাইকেল, রাষ্ট্রীয় টিভি সংশ্লিষ্ট ভবন, গভর্নর অফিস ও সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছবিতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন।
ইরানের শেষ শাহ শাসকের ছেলে রেজা পেহলেভির আহ্বানে বৃহস্পতিবার রাস্তায় নেমে এসেছে মানুষ। এতে ঘোর বিপদে পড়েছে ইরান সরকার।
ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার পর সেখানে এখন মোবাইল ফোন সেবাও বন্ধের পথে রয়েছে। তার্কিস সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) জানিয়েছে, অনেক জায়গায় মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্ক পাওয়া যাচ্ছে না।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ইন্টারনেট বন্ধ হওয়ার পরই মোবাইল সেবা ব্যহত হওয়া শুরু করে। যদিও ইরান সরকার এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোনো ঘোষণা দেয়নি।
গত ২৮ ডিসেম্বর ইরানে বিক্ষোভ শুরু হয়। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রতিবাদে প্রথমে তেহরানের গ্র্যান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা নতুন করে আন্দোলন শুরু করেন। এরপর এতে সব ধরনের মানুষ যুক্ত হন। যা গত ১২দিন ধরে টানা চলছে। এরমধ্যে বৃহস্পতিবার রাতে বিক্ষোভের মাত্র বেড়ে যায়। রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন জায়গায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছেন।
১৯৭৯ সালে ইসলামিক বিপ্লবের মাধ্যমে বর্তমান ইরানে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র গঠিত হয়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে এই সরকার হুমকির মুখে পড়েছে। এরমধ্যে দেশটিতে শুরু হলো বড় ধরনের বিক্ষোভ।
গত ১২ দিনের এ বিক্ষোভে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে একটি মানবাধিকার সংস্থা।
এসবের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন ইরান সরকার যদি বিক্ষোভকারীরদের হত্যা করে তাহলে তারা সরাসরি হস্তক্ষেপ এবং শক্তিশালী হামলা চালাবেন।

