spot_img

ছাত্রদের আন্দোলনে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট ভুচিচের পদত্যাগ

অবশ্যই পরুন

ছাত্র গণঅভ্যুত্থানের মুখে পদত্যাগ করেছেন সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার ভুচিচ। শুধু ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানো নয়, বরং ২৫ অক্টোবরের আগাম সংসদীয় নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হয়ে ক্ষমতায় টিকে থাকার কৌশল নিয়েছেন।

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সার্বিয়ার রাজনীতিতে আধিপত্য রাখা ভুচিচের শাসনের বিরুদ্ধে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় সামাজিক ও রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ।

২০২৪ সালের নভেম্বরে নোভি সাদের একটি রেলস্টেশনে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত হওয়ার পর থেকে সার্বিয়ায় সরকারবিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্নীতি, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ও অস্বচ্ছতার অভিযোগে ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে লাখ লাখ মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। দীর্ঘ বিক্ষোভ ও জনদাবির মুখে ভুচিচ আগাম নির্বাচন দিতে বাধ্য হন।

এই নির্বাচনে ভুচিচের ক্ষমতাসীন সার্বিয়ান প্রগ্রেসিভ পার্টির (এসএনএস) প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে এসেছে ছাত্র ও বিভিন্ন বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত ‘ছাত্রদের জয়’ জোট।
তবে এই রাজনৈতিক অস্থিরতা শুধু সার্বিয়ার ভেতরেই সীমাবদ্ধ নেই; গোটা পশ্চিম বলকান অঞ্চলেই এর প্রভাব পড়ছে। পার্শ্ববর্তী দেশগুলো আশা করছে, সার্বিয়ায় রাজনৈতিক পরিবর্তন এলে পুরো অঞ্চলের কূটনৈতিক উত্তেজনা কমবে। অন্যদিকে, চীনা বিনিয়োগ ও রাশিয়ার জ্বালানি থাকা সত্ত্বেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর তুলনায় সার্বিয়ার অর্থনীতি ও জীবনযাত্রার মান পিছিয়ে রয়েছে, যা নির্বাচনে ভোটারদের ওপর প্রভাব ফেলবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভুচিচ হেরে গেলেও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে প্রতিষ্ঠানগুলোতে ক্ষমতার দ্বন্দ্বে সার্বিয়ায় নতুন সংকট তৈরি হতে পারে।

সূত্র: আল জাজিরা

সর্বশেষ সংবাদ

সরকার ব্যর্থ হলে জনগণই ভোটের মাধ্যমে তার জবাব দেবে: চিফ হুইপ

জনগণের ভোটে বিএনপি সরকার গঠন করেছে উল্লেখ করে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেছেন, সরকারের পাঁচ বছরের...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ