সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হজযাত্রীদের লাগেজ কেটে চুরির অভিযোগ তদন্তে অসত্য প্রমাণিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেছেন, তদন্তে লাগেজ মিস হ্যান্ডলিংয়ের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে কোনো হজযাত্রী লিখিত বা মৌখিক অভিযোগও করেননি।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানীর সচিবালয়ে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সমসাময়িক ইস্যুতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, হজযাত্রীদের লাগেজ সংক্রান্ত অভিযোগের পর বিষয়টি খতিয়ে দেখা হয়েছে। তদন্তে ২১টি লাগেজে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া গেলেও সেগুলো বাংলাদেশে ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, লাগেজগুলো যেখান থেকে এসেছে, সেখানেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এ সময় তিনি বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে অনিয়ম, দুর্নীতি ও ব্যবস্থাপনাগত ত্রুটি দূর করতে প্রতিষ্ঠানটিকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো ধরনের মিস হ্যান্ডলিং বা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে।
ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল আগামী ১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ব্যবস্থাপনা নিয়ে জাপানের সঙ্গে চুক্তির প্রক্রিয়াও এগিয়ে চলছে। আগামী ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে এ চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার কথা থাকলেও তা আরও দ্রুত সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান বিমান পরিবহন চাহিদা মোকাবিলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহর সম্প্রসারণ প্রয়োজন। বর্তমানে ১৪টি নয়, দেশের জন্য ৪৭টি উড়োজাহাজ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন তিনি। ১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ কিনতে প্রায় ২ দশমিক ১৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় হবে এবং ২০৩১ সালে প্রথম উড়োজাহাজটি দেশে পৌঁছাবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

