spot_img

জুলাই-আগস্টে বৈশ্বিক তেলের বাজার ‘রেড জোনে’ পৌঁছাতে পারে: আইইএ প্রধান

অবশ্যই পরুন

গ্রীষ্মকালীন জ্বালানি চাহিদার সর্বোচ্চ সময় শুরু হওয়া, মধ্যপ্রাচ্য থেকে নতুন তেল রপ্তানি না আসা এবং মজুত কমে যাওয়ার কারণে জুলাই-আগস্টে বৈশ্বিক তেলের বাজার ‘রেড জোনে’ পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করেছেন আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) প্রধান ফাতিহ বিরল।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।

লন্ডনের চ্যাথাম হাউসে দেয়া এক বক্তব্যে ফাতিহ বিরল বলেন, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৪ ডলারে পৌঁছেছে। ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এটিই উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি।

তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের তেল অবকাঠামো পুনরুদ্ধারে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। কিছু তেলক্ষেত্র পুনরায় চালু করা কঠিন হতে পারে। পাশাপাশি, পরিস্থিতির উন্নতি না হলে জুলাই বা আগস্টে ‘রেড জোনে’ প্রবেশ করতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

ইরান যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট তেল সরবরাহ সংকটের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা এবং ইরানের কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়ার কারণে মধ্যপ্রাচ্য থেকে দৈনিক ১ কোটি ৪০ লাখ ব্যারেলেরও বেশি তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।

উল্লেখ্য, বর্তমান সংকটকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেল সরবরাহ সংকট হিসেবে দেখা হচ্ছে। এছাড়া ইরান যুদ্ধের আগে তেলের বাজারে যে অতিরিক্ত সরবরাহ ছিল, আইইএর সমন্বিত ৪০ কোটি ব্যারেলের কৌশলগত মজুত ছাড় এবং বাণিজ্যিক মজুত ব্যবহার এসব মিলিয়েও সংকট পুরোপুরি মোকাবিলা করা সম্ভব হচ্ছে না।

এই সংকট মোকাবেলায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমাধান হলো হরমুজ প্রণালি সম্পূর্ণ ও নিঃশর্তভাবে খুলে দেয়া বলে মন্তব্য করেছেন ফাতিহ বিরল।

এছাড়া চলমান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ৩২টি সদস্য দেশ জরুরি তহবিল থেকে ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়তে সম্মত হয়েছে আইইএ। প্রয়োজনে, যেকোনো সময় এ পদক্ষেপ নিতে সংস্থাটি সম্পূর্ণ প্রস্তুত বলেও জানান আইইএ প্রধান।

সর্বশেষ সংবাদ

ইউরেনিয়াম কীভাবে ব্যবহার করবে সে সিদ্ধান্তের অধিকার শুধুই ইরানের: রাশিয়া

রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন, “পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি (এনপিটি) অনুযায়ী শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচি উন্নয়নের ক্ষেত্রে...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ