বাংলাদেশের সাধারণ পাসপোর্টে আবারও ফিরছে ‘এক্সেপ্ট ইসরায়েল’ বা ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ বাক্যটি। পাশাপাশি পাসপোর্টের ভেতরের পাতার নকশায় আনা হচ্ছে বড় ধরনের পরিবর্তন।
নতুন ডিজাইনে যুক্ত করা হচ্ছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ আবু সাঈদের ছবি, দেশের বিভিন্ন ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা ও নিদর্শনের জলছাপ (ওয়াটারমার্ক)।
পাসপোর্টের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ও নান্দনিকতা বাড়াতে ভেতরের পাতার প্রায় এক ডজন ওয়াটারমার্ক নতুনভাবে ডিজাইন করা হবে। নতুন নকশা ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য চূড়ান্ত হলে ধাপে ধাপে তা বাস্তবায়ন করা হবে।
এ ছাড়া নতুন পাসপোর্টে আবারও যুক্ত করা হচ্ছে ‘দিস পাসপোর্ট ইস ভ্যালিড ফর অল কান্ট্রিস অব দ্য ওয়ার্ল্ড এক্সেপ্ট ইসরায়েল’ (এই পাসপোর্টটি ইসরায়েল ব্যতীত বিশ্বের সব দেশের জন্য বৈধ) বাক্যটি। স্বাধীনতার পর দীর্ঘ সময় ধরে বাংলাদেশি পাসপোর্টে এ বাক্যটি ছিল।
সূত্র জানিয়েছে, পাসপোর্ট থেকে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধ, রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতার স্তম্ভ, মডেল মসজিদ, বঙ্গবন্ধু সেতু (যমুনা সেতু), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নভোথিয়েটার, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, নৌকাসহ কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের ছবি, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, দিনাজপুরের কান্তজিউ মন্দির এবং মেহেরপুরে মুজিবনগর সরকারের স্মৃতিসৌধের ছবি বাদ যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্ট পরিষেবা চালু করার সময় পাসপোর্ট থেকে ‘ইসরায়েল ব্যতীত’ শব্দবন্ধটি বাদ দেওয়া হয়েছিল।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন ও কালের কণ্ঠ

