গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার বাণিজ্যিক ব্যাংকের সাথে কেন সামঞ্জস্য রাখা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সোমবার (১৮ মে) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।
রুলে বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ সচিব, গ্রামীণ ব্যাংক এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ৪ সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। এর আগে গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার কত তা জানতে চেয়ে রিট দায়ের করেছিলেন আইনজীবী মাসুদ আর সোবহান।
রিটকারী আইনজীবী বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক প্রায় ২০ শতাংশের মতো সুদ নিয়ে থাকে। প্রকৃতপক্ষে গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণগ্রহীতারা ঋণের বিপরীতে কত শতাংশ সুদ দিচ্ছেন তা জানার অধিকার আছে। দেখা যাচ্ছে, ১০ বছরের বেশি একজন সুদ দিয়েই যাচ্ছে। এই সুদের উপরেই তারা চলছে।

