spot_img

শ্রমিকদের নিয়োগপত্র, ন্যূনতম ৩০ হাজার টাকা মজুরি ও নিরাপত্তার দাবি

অবশ্যই পরুন

মহান মে দিবস উপলক্ষে আয়োজিত পৃথক মানববন্ধন থেকে শ্রমিকদের জন্য নিয়োগপত্র প্রদান, ন্যায্য মজুরি নির্ধারণ এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন। আজ শুক্রবার (১ মে) সকালে এসব কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে নেতাকর্মীরা শ্রমিক অধিকার বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

মানববন্ধনে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল প্রত্যেক শ্রমিককে নিয়োগপত্র দেওয়া, অবাধে ট্রেড ইউনিয়ন করার সুযোগ সৃষ্টি এবং কর্মস্থলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানায়। একই দিনে আরেক কর্মসূচিতে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) দেশের সকল শ্রমিকের একটি পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরির দাবি তোলে।

এছাড়া পৃথক আরেক মানববন্ধনে সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ এবং কর্মক্ষেত্রে নিহত শ্রমিকদের আজীবন আয়ের সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানায়।

মানববন্ধনে বিলসের নেতাকর্মীরা বলেন, মে দিবসের মহান আদর্শ স্মরণ রেখে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি প্রতিষ্ঠা, অধিকার আদায় এবং কল্যাণমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। তারা শ্রমিকদের জন্য ৮ ঘণ্টা কাজ, ৮ ঘণ্টা বিশ্রাম এবং ৮ ঘণ্টা বিনোদনের সুযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি জীবনধারণ উপযোগী মজুরি নির্ধারণ এবং বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মজুরি বৃদ্ধির দাবি জানান। একই সঙ্গে ট্রেড ইউনিয়ন রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া সহজ করার আহ্বানও জানান তারা।

এছাড়া স্বল্পমূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহে স্থায়ী ‘শ্রমিক রেশন কার্ড’ চালু, সব কারখানায় কার্যকর যৌন হয়রানি প্রতিরোধমূলক সেল গঠন এবং প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের জন্য জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা স্কিম চালুর দাবিও উত্থাপন করা হয়।

অন্য দিকে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল জুলাই গণহত্যাসহ রানা প্লাজা ধস এবং তাজরীনসহ বিভিন্ন কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে শ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনায় বিচার দাবি করে। পাশাপাশি সংগঠনটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত জাতীয় স্বার্থবিরোধী, শিল্প ও কৃষিবিরোধী এবং জাতীয় নিরাপত্তাবিরোধী অসম পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি বাতিলের আহ্বান জানায়। একই সঙ্গে সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দর ও নৌবন্দর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে রেখে আধুনিকায়নের দাবিও তুলে ধরে।

সর্বশেষ সংবাদ

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে গতি ফেরাতে চায় সরকার

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে ফের গতি আনতে চায় সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে ৪ কোটি পরিবার থেকে অন্তত একজন সদস্যকে স্কিমে...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ