বিশ্বজুড়ে দাপট দেখাচ্ছে মার্ভেলের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা স্পাইডারম্যান : ব্র্যান্ড নিউ ডে। মাত্র চার দিনে ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ভিউ! কোনো কাল্পনিক গল্প নয়, বরং বাস্তবেই বিনোদন দুনিয়ার সব রেকর্ড তছনছ করে দিয়ে নতুন বিশ্বরেকর্ড গড়লো মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সের (এমসিইউ) বহুল প্রতীক্ষিত এই সিনেমাটি।
গত ১৭ মার্চ ট্রেলারটি প্রকাশের পর থেকেই নেট দুনিয়ায় শুরু হয়েছিল উন্মাদনা। কিন্তু সেই উন্মাদনা যে এতো দ্রুত ইতিহাস লিখবে, তা হয়তো ধারণা করতে পারেনি খোদ মার্ভেল স্টুডিওসও। ওয়েভমেট্রিক্সের তথ্য অনুযায়ী, গত মঙ্গলবার ট্রেলারটি স্পর্শ করে ১০০ কোটির মাইলফলক। এর মাধ্যমে আগের সব ব্লকবাস্টার ট্রেলারের রেকর্ড ধুলোয় মিশিয়ে দিয়ে স্পাইডি বুঝিয়ে দিল— বড় পর্দায় তার রাজত্ব এখনো অপ্রতিদ্বন্দ্বী।
এর আগে ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ভিউয়ের রেকর্ডটি ছিল রায়ান রেনল্ডস ও হিউ জ্যাকম্যানের ‘ডেডপুল অ্যান্ড উলভারিন’ সিনেমার দখলে। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সুপার বোল ইভেন্টে প্রকাশের পর প্রথম দিনেই এটি ৩৬ কোটি ৫০ লাখ ভিউ পেয়েছিল। তারও আগে টম হল্যান্ডের ‘স্পাইডারম্যান : নো ওয়ে হোম’ পেয়েছিল ৩৫ কোটি ৫৫ লাখ ভিউ। তবে সব রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে ‘ব্র্যান্ড নিউ ডে’ প্রথম ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড গড়েছে ৭১ কোটি ৮৬ লাখ ভিউয়ের।
ট্রেলারে দেখা যায়, আগের কিস্তির রেশ ধরেই এগিয়েছে এবারের কাহিনী। জাদুকরী মন্ত্রের প্রভাবে পিটার পার্কার এখন এমন এক পৃথিবীতে বাস করছেন, যেখানে কেউ তাকে চেনে না। কোনো পরিচিতি বা ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছাড়াই তাকে টিকে থাকার লড়াই চালিয়ে যেতে হচ্ছে। স্পাইডারম্যান হিসেবে প্রতিকূলতা মোকাবিলা করলেও আগের মতো প্রিয়জনদের মানসিক সমর্থন এবার তার পাশে নেই।
ট্রেলারে পিটার পার্কার ও এমজের (জেনডায়া) রসায়নও ফুটে উঠেছে। তবে নতুন মোড় হিসেবে দেখা গেছে, এমজে তার জীবনে এগিয়ে গেলেও পিটারের কথা কিছুই মনে করতে পারছেন না। অন্যদিকে পিটারের মনে গভীর মমতা থাকলেও এমজেকে বিপদমুক্ত রাখতে সে দূরত্ব বজায় রাখছে।
পুরো ট্রেলার জুড়ে একাকী লড়াই ও স্পাইডার-ম্যানের চারিত্রিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। সব ঠিক থাকলে আগামী ৩১ জুলাই সিনেমাটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

