১৪ দিনের রিমান্ড শেষ কলকাতার বিধাননগর আদালতে তোলা হয়েছে ফয়সাল করিম ও আলমগীরকে। এর আগে তাদের শারীরিক পরীক্ষা করানোর জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে আদালতে ওঠার আগে ফয়সাল বলেছে, আমি এই কাজ করিনি এবং আমি এ ধরনের কাজে ছিলাম না। আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে।
আজ রোববার (২২ মার্চ) আদালতে ওঠার আগে এসব মন্তব্য করেছেন ফয়সাল। তবে আলমগীর এ বিষয়ে মুখ খোলেনি।
এদিকে, আদালত থেকে বের হলে ফের সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়েন ফয়সাল। এসময় তাকে প্রশ্ন করা হয়, হাদি হত্যাকাণ্ডের সময় আপনি বাংলাদেশে ছিলেন কি না? এর উত্তরে তিনি বলেন, হ্যাঁ ছিলাম।
এসময় সিসিটিভি ফুটেজের প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলে ফয়সাল বলেন, আমাকে গুলি করতে দেখা যায়নি। তাহলে গুলি কে করলো? এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সেটা আমি জানি না।
এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত না হলে ভারতে পালিয়ে এসেছেন কেন? সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের অবশ্য কোনো জবাব দেননি ফয়সাল।
৭ মার্চ রাতে ফয়সাল এবং আলমগীরকে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিমবঙ্গ এসটিএফ। ৮ মার্চ তাদের স্থানীয় আদালতে তোলা হলে ১৪ দিনের পুলিশ রিমান্ডের নির্দেশ দেয় বিচারক।
এর আগে, শনিবার (২১ মার্চ) ওসমান হাদি হত্যা মামলায় বাংলাদেশি নাগরিক ফিলিপ সাংমাকে ১৪ দিনের জেল হেফাজত দিয়েছেন আদালত। এই সময়কালে তাকে জেলে গিয়ে জেরা করতে পারবে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ টাস্কফোর্স (এসটিএফ)। আবার তাকে ৩ এপ্রিল আদালতে তোলা হবে।
শনিবার (২১ মার্চ) ফিলিপকে কলকাতার বিধাননগর আদালতে তোলার আগে, বিধাননগর হাসপাতালে মেডিকেল করা হয়। পরে তাকে কলকাতার ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স পিএসের লকআপে রাখা হয়। সেখান থেকেই তাকে দমদম কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে এদিন তাকে সরাসরি বিচারকের সামনে পেশ করা হয়নি।

