‘ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি দৃঢ় সংহতি’ প্রকাশ করে মালদ্বীপ ঘোষণা করেছে যে তারা ইসরায়েলিদের তাদের দেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ করছে।
মঙ্গলবার বিলাসবহুল পর্যটন দ্বীপপুঞ্জ মালদ্বীপ এ সিদ্ধাস্তের কথা জানায়। দেশটির প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মইজ্জু সংসদে আইনটি পাশের পরপরই এতে স্বাক্ষর করে অনুমোদন দেন।
প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এই অনুমোদনটি ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের চলমান নৃশংসতা এবং চলমান গণহত্যার প্রতিক্রিয়ায় সরকারের দৃঢ় অবস্থানকে প্রতিফলিত করে।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘মালদ্বীপ ফিলিস্তিনি ইস্যুর প্রতি তাদের দৃঢ় সংহতি পুনর্ব্যক্ত করছে।’
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে মোট দু’লাখ ১৪ হাজার বিদেশি পর্যটকের মধ্যে মাত্র ৫৯ জন ইসরায়েলি পর্যটক এই দ্বীপপুঞ্জে ভ্রমণ করেছিলেন।
মালদ্বীপ ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে ইসরায়েলি পর্যটকদের ওপর পূর্বের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিল এবং ২০১০ সালে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের উদ্যোগও নিয়েছিল। গাজা যুদ্ধের বিরোধিতা জানাতে ইসরায়েলিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য মালদ্বীপে বিরোধী দল ও সরকারপন্থী দলগুলো প্রেসিডেন্টের ওপর চাপ দিচ্ছিল।
মালদ্বীপ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গত বছর তাদের নাগরিকদের মালদ্বীপে ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছিল। ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরুর পর গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৮ মার্চ যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে অন্তত এক হাজার ৬১৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এতে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় এক লাখ।
সূত্র: বিএসএস

