বছরের শুরুতেই জটিলতার মুখোমুখি হয়েছিলেন টালিউড ইন্ডাস্ট্রির আলোচিত অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। সমস্যার সমাধান হওয়ার বিপরীতে একের পর এক যেন বিপাকে পড়ছেন তিনি। এবার তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করা হলো পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনার বনগাঁয়ের আদালতে।
এর আগে বনগাঁর একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে মঞ্চে হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন মিমি। এ কারণে থানায় অভিযোগ করার পর অনুষ্ঠানের মূল আয়োজক তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আর কারাগার থেকে সেই তনয় বের হয়েই দেখে নেয়ার হুমকি দিতে থাকেন অভিনেত্রীকে। পরে থানায় অভিযোগও দিয়েছিলেন। এবার মিমির বিরুদ্ধে আদালতে দুটি মামলা করলেন সেই তনয়।
সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মিথ্যা অপবাদ এবং মানহানিকর বক্তব্য―এই দুই অভিযোগের ভিত্তিতে মিমির বিরুদ্ধে আলাদা দুটি মামলা দায়ের করেছেন তনয়। মানহানির মামলা হিসেবে ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন। তার পক্ষে মামলায় লড়ছেন আইনজীবী তরুণজ্যোতি তিওয়ারি।
এছাড়াও তনয় চুক্তিভঙ্গের অভিযোগ এনেছেন মিমির বিরুদ্ধে। অনুষ্ঠানের জন্য মিমির অগ্রিম নেয়া ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ফিরিয়ে দেয়ার দাবি করেছেন তনয়। তার দাবি, অগ্রিম টাকা নেয়ার পরও সময় মতো অনুষ্ঠানে আসেননি তারকা। আবার তাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছেন দাবি করে আদালতে গিয়েছেন। এখন পুরো পরিস্থিতিতে আইনের ওপর ভরসা রাখছেন বলে জানিয়েছেন তনয়।
প্রসঙ্গত, বনগাঁর একটি অনুষ্ঠানে রাত দশটায় যোগ দেয়ার কথা ছিল মিমির। কিন্তু আয়োজকদের অভিযোগ, অনুষ্ঠানে এগারোটার পর এসেছিলেন টালি তারকা। তনয়ের দাবি―অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য রাত বারোটা পর্যন্ত অনুমতি নিয়েছিলেন তিনি। এ কারণে বারোটা বাজতেই মঞ্চ থেকে নেমে যেতে বলা হয় মিমিকে।
তনয় জানিয়েছেন, মিমিকে মঞ্চ থেকে নেমে যেতে বললেও তাকে কোনো ধরনের অসম্মানজনক কথা বলা হয়নি। শুধু সময় হয়ে গেছে বলেই তাকে মঞ্চ থেকে নেমে যেতে বলেছিলেন। এই পুরো ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়ায় বারবার উঠে এসেছে বনগাঁর নাম।

