প্রোস্টেটের সমস্যা এখন শুধু বয়স্কদের নয়, কমবয়সী পুরুষদের মধ্যেও দেখা দিচ্ছে। সময়মতো চিকিৎসা না করালে এটি প্রোস্টেট ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে। প্রোস্টেটের সমস্যা সাধারণত তিন ধরনের হয়— গ্রন্থি বেড়ে যাওয়া, সংক্রমণ (প্রোস্টেটাইটিস) ও ক্যান্সার।
কোন বয়সে কী লক্ষণ দেখা দেয়?
২৫ থেকে ৪০ বছর : প্রস্রাবের সময় তীব্র জ্বালাপোড়া ও তলপেটে ব্যথা।
প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া। ঘন ঘন জ্বর আসা।
৪০ থেকে ৬০ বছর : হুটহাট প্রস্রাবের বেগ পাওয়া (অনেকে একে ডায়াবেটিস ভেবে ভুল করেন)। মূত্রনালিতে বারবার সংক্রমণ হওয়া।
৬০ বছরের ওপরে : প্রস্রাব শুরু হতে দেরি হওয়া বা প্রস্রাবের ধারা দুর্বল হয়ে যাওয়া। রাতে বারবার প্রস্রাবের বেগ আসা।
কোমর ও তলপেটে তীব্র ব্যথা। প্রস্রাবের সাথে রক্ত পড়া এবং মূত্রথলিতে পাথর হওয়ার লক্ষণ দেখা দেওয়া।
কী কী পরীক্ষা করাবেন?
যদি আপনার মধ্যে এসব লক্ষণ দেখা দেয়, তবে দ্রুত নিচের পরীক্ষাগুলো করা উচিত :
পিএসএ পরীক্ষা : রক্তে প্রস্টেট স্পেসিফিক অ্যান্টিজেনের মাত্রা পরীক্ষা করা।
আলট্রাসনোগ্রাফি : এর মাধ্যমে প্রোস্টেট কতটুকু বেড়েছে তা বোঝা যায়।
কোলোনোস্কোপি ও অ্যাবডোমিন্যাল আলট্রাসাউন্ড : ৪০ বছর পার হলে নিয়মিত এই পরীক্ষাগুলো করিয়ে রাখা ভালো।
সময়মতো সঠিক চিকিৎসা এবং পরীক্ষার মাধ্যমে প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

