যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও গাজায় সুপেয় পানীয় জলের তীব্র সঙ্কট দেখা দিয়েছে। অনেক পরিবারকে নিরাপদ পানি সংগ্রহ করতে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। এছাড়া বিশুদ্ধ পানির জন্য ত্রানবাহী ট্রাকের জন্যও অপেক্ষা করতে হচ্ছে গাজাবাসীর।
অন্যদিকে, বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোকে মানবিক সহায়তা সংস্থার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে খাবার জোগাড়ের জন্য। সিজফায়ারের চার মাস পরও এখনো বাস্তবে পরিবর্তন হয়নি গাজার চিত্র।
জেনিনের একজন বাসিন্দা বলেন, ‘প্রতিদিন দুই-তিন গ্যালন পানি ভর্তি করতে আমাদের তিন-চার ঘণ্টা সময় লাগে। পানির ঘাটতি সহ্য করা যাচ্ছে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি ভোর ৫টায় উঠি এবং পানির লাইনে দাঁড়াই, যাতে সন্তানদের জন্য পানির ব্যবস্থা করতে পারি। সকাল ৬টা থেকে ৮টার মধ্যে পানি সরবরাহ হয়, তারপর ট্রাক চলে যায়।’

