spot_img

নির্বাচনে মাঠপর্যায়ে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ নৌবাহিনী প্রধানের

অবশ্যই পরুন

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে মাঠপর্যায়ে নিরাপত্তা ও সমন্বয় জোরদার করার নির্দেশনা দিয়েছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) কুতুবদিয়া ও সন্দ্বীপ এলাকা পরিদর্শনের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

নৌবাহিনী প্রধান বলেন, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় বাড়ানো এবং ভোটারদের জন্য ভয়মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি নৌবাহিনীসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি, ভোটকেন্দ্রের পরিস্থিতি নিবিড় পর্যবেক্ষণ, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখার নির্দেশনা দিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত নৌ কন্টিনজেন্টের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ দপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় ১৬টি সংসদীয় আসনে ২৫টি উপজেলায় দায়িত্ব পালন করছে। এ প্রেক্ষিতে বুধবার নৌবাহিনী প্রধান কুতুবদিয়া ও সন্দ্বীপ পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত নৌ কন্টিনজেন্টের সার্বিক কার্যক্রম, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রস্তুতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

কুতুবদিয়া ও সন্দ্বীপ পরিদর্শনকালে নৌবাহিনী প্রধান অসামরিক প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় সভায় চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার, রেঞ্জ ডিআইজি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাচন অফিসার, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, ডিজিএফআই, এনএসআই, র‍্যাব, কোস্ট গার্ড, আনসার এবং নৌবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আইএসপিআর আরও জানিয়েছে, উপকূলীয় ও দ্বীপাঞ্চলের নিরাপত্তা জোরদার করতে ভোলা, হাতিয়া, সন্দ্বীপ, কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিনস এলাকায় নৌবাহিনীর জাহাজ মোতায়েনের পাশাপাশি পর্যাপ্ত সংখ্যক বোটের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। নির্বাচনকে ঘিরে স্বার্থান্বেষী মহলের যেকোনো অপতৎপরতা, সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলা প্রতিরোধে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে পর্যাপ্ত সংখ্যক ড্রোন এবং বডি-ওর্ন ক্যামেরা ব্যবহারের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকাগুলোতে অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারে বিশেষ অভিযানের পাশাপাশি নৌবাহিনী নিয়মিত টহল ও ফুট পেট্রোলিং পরিচালনা করছে। উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় নৌবাহিনীর জাহাজ, হেলিকপ্টার, কুইক রেসপন্স ফোর্স (কিউআরএফ) এবং সোয়াডস টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়াও আসন্ন নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা প্রদানে প্রস্তুত রয়েছে নৌবাহিনী।

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না ইরান!

আর মাত্র কয়েক মাস পর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা এবং মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ বিশ্বকাপ। যেখানে অংশগ্রহণ করার কথা রয়েছে ইরানের।...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ