বিশ্বের বৃহত্তম তেলের মজুতসমৃদ্ধ দেশ হিসেবে পরিচিত ভেনেজুয়েলার মাটির নিচে তেলের পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ মূল্যবান খনিজ সম্পদ লুকিয়ে রয়েছে। দেশটিতে সোনা ও হীরার বিশাল মজুত আছে বলে ধারণা করা হয়।
সম্প্রতি নিকোলাস মাদুরোকে আটকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ভেনেজুয়েলার তেল উৎপাদন খাত পুনর্গঠনের পাশাপাশি দেশটির খনিজ শিল্প সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে।
মার্কিন বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় ইস্পাতসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খনিজ উপাদানের যে বিপুল ভাণ্ডার দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে, ট্রাম্প প্রশাসন তা পুনরুদ্ধারে উদ্যোগ নেবে।
ল্যাটিন আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে ভেনেজুয়েলার সরকারি স্বর্ণের মজুত সবচেয়ে বেশি। দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভে প্রায় ১৬১ মেট্রিক টন স্বর্ণ রয়েছে। পাশাপাশি ‘ওরিনোকো মাইনিং আর্ক’ অঞ্চলে আরও বিপুল পরিমাণ অব্যবহৃত স্বর্ণের ভাণ্ডার রয়েছে বলে ধারণা করা হয়।
২০১৮ সালের একটি খনিজ প্রতিবেদনে ভেনেজুয়েলায় অন্তত ৬৪৪ মেট্রিক টন স্বর্ণ মজুত থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও সরকারি হিসেবে এই পরিমাণ আরও বেশি বলে দাবি করা হয়।
হীরা উৎপাদনের দিক থেকেও দেশটি সমৃদ্ধ। বিভিন্ন খনিতে প্রায় ১ হাজার ২৯৫ মিলিয়ন ক্যারেট হীরার মজুত থাকার সম্ভাবনার কথা জানা গেছে।
যদিও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও অব্যবস্থাপনার কারণে এসব খনিজ অঞ্চলের বড় একটি অংশ বর্তমানে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা সশস্ত্র গোষ্ঠীর দখলে রয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের লক্ষ্য এসব সম্পদকে পুনরায় আন্তর্জাতিক বাজারের মূলধারায় ফিরিয়ে আনা।
সূত্র: নিউ ইয়র্ক মর্নিং

