spot_img

ইউরোপীয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে মার্কেল জনপ্রিয়তার তুঙ্গে

অবশ্যই পরুন

এক সমীক্ষা অনুযায়ী ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রেসিডেন্টের পদ থাকলে বিদায়ী জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হতেন। ইউরোপে সংকট সামলানোর ক্ষেত্রে তার প্রতি গভীর আস্থার প্রতিফলন ঘটেছে।

রাষ্ট্রজোট হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ক্ষমতার রাশ কমিশন, পার্লামেন্ট ও সরকার পরিষদের মধ্যে ভাগ করে দেয়া রয়েছে। নির্বাহী ক্ষমতার জন্য প্রেসিডেন্টের কোনো পদ নেই। এমন পদ থাকলে ইউরোপের মানুষ জার্মানির বিদায়ী চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের প্রতি বিপুল সমর্থন জানাতেন। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক জনমত সমীক্ষায় এমন এক চিত্র উঠে এসেছে।

পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিষয়ক ইউরোপীয় পরিষদ বা ইসিএফআর নামে ব্রাসেলসভিত্তিক থিংক ট্যাংক পরিচালিত এই সমীক্ষা অনুযায়ী ১২টি ইইউ দেশের প্রায় ৪১ শতাংশ মানুষ মার্কেলকে এমন এক পদে দেখতে চান। বিশেষ করে নেদারল্যান্ডস, স্পেন ও পর্তুগালে তার জনপ্রিয়তা চোখে পড়ার মতো। নেদারল্যান্ডসের ৫৮ শতাংশ মানুষ মার্কেলের প্রতি আস্থা দেখিয়েছেন।

অন্যদিকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ মাত্র ১৪ শতাংশ সমর্থন পেয়ে ১২টি ইইউ দেশেই মার্কেলের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছেন। এমনকি ফ্রান্সেও মার্কেল কাল্পনিক ইইউ প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেশি গ্রহণযোগ্য। সমীক্ষার আওতায় অস্ট্রিয়া, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, সুইডেনসহ ১২টি দেশের মোট ১৬ হাজার ২৬৭ মানুষকে প্রশ্ন করা হয়েছিল।

সমীক্ষার পরিচালকদের মতে, অ্যাঞ্জেলা মার্কেল শক্তিশালী ও স্থিতিশীল জার্মানির প্রতীক। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি একাধিক সংকটের সময়ে ইউরোপের নোঙর হিসেবে নিজের অবস্থান জোরালো করে এসেছেন। তাছাড়া তিনি জার্মানিকে মোটেই বাকিদের উপর খবরদারির পথে চালিত করেননি। ফলে জার্মান চ্যান্সেলর হিসেবে বিদায় নেয়ার পরে মার্কেলকে ইউরোপের ক্ষমতাকেন্দ্রে দেখার বাসনা মোটেই বিস্ময়কর নয়। এমনকি ২০০৮ সালের আর্থিক সংকটের পর সরকারি ব্যয় সংকোচের মতো অপ্রিয় নীতি সত্ত্বেও ইউরোপীয় নেতা হিসেবে তার গ্রহণযোগ্যতা বাকিদের তুলনায় অনেক বেশি। ২০১৫ সালের শরণার্থী সংকটের সময়ে তার উদার নীতিও সেই মনোভাবে চিড় ধরাতে পারেনি। তিনি না থাকলে বরং আন্তর্জাতিক স্তরে আরো সংকট দেখা দিতে পারতো বলে সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের সিংহভাগ মনে করে।

মার্কেল তথা জার্মানির অবস্থান সম্পর্কে ইউরোপে সম্ভ্রম ও শ্রদ্ধাবোধ সত্ত্বেও খোদ জার্মানিতে কিন্তু যথেষ্ট সংশয় বিরাজ করছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, সে দেশের প্রায় ৫২ শতাংশ মানুষ মনে করেন, জার্মানির সুবর্ণ যুগ শেষ হয়ে গেছে। ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আশার আলো তারা দেখছেন না। ইউরোপের বাকি অংশে সে বিষয়ে কিছুটা মতভেদ রয়েছে।

সূত্র : ডয়চে ভেলে

সর্বশেষ সংবাদ

বিসিবির নির্বাচনে কোনো প্যানেল থাকবে না পাপনের

কিছুদিন পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচন। সেই নির্বাচন নিয়ে মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) শেষবারের মতো বৈঠকে বসেছিলেন...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ