তিন ম্যাচে দ্বিতীয় ফিফটি করলেন বাবর আজম। কিন্তু মাইলফলক স্পর্শের পরেই ডানহাতি এই ব্যাটার ফিরলেন সাজঘরে। পাকিস্তানও নিজেদের বাঁচাতে পারল না হোয়াইটওয়াশের লজ্জা থেকে। কার্টেল ওভারের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৪৩ রানে হেরেছে মোহাম্মদ রিজওয়ানের দল। ফলে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে পাকিস্তান। এর আগে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজেও ৪-১ ব্যবধানে হেরেছিল সফরকারীরা।
শনিবার (৫ এপ্রিল) মাউন্ট মঙ্গানুইতে ভেজা আউটফিল্ডের কারণে দেরিতে শুরু হওয়া তৃতীয় ওয়ানডেটি পরিণত হয়েছিল ৪২ ওভারের ম্যাচে। টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনার রাইস মারিউ আর অধিনায়ক মাইকেল ব্রেসওয়েলের হাফসেঞ্চুরিতে ভর করে নির্ধারিত সময়ে ৮ উইকেটে ২৬৪ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। জবাব দিতে নেমে ভালো শুরুর পরেও বেন সিয়ার্সের বোলিং তোপে শেষ পর্যন্ত ৪০ ওভারে ২২১ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান।
এদিন নিউজিল্যান্ডের ইনিংসে ওপেনার মারিউ ৬১ বলে ৬ চার আর ২ ছক্কায় ৫৮ রান করেন। তবে দলের পক্ষে ৪০ বলে ১ চার আর ৬ ছক্কায় সর্বোচ্চ ৫৯ রান আসে অধিনায়ক ব্রেসওয়েলের ব্যাট থেকে। এছাড়া ড্যারিল মিচেল ৫৩ বলে ৪৩, হেনরি নিকোলস ৪০ বলে ৩১ আর টিম সেইফার্ট করেন ২৯ বলে ২৬ রান। পাকিস্তানের হয়ে বোলিংয়ে ৮ ওভারে ৬২ রানে ৪ উইকেট শিকার করেন বাঁহাতি পেসার আকিফ জাভেদ। ৫৪ রানের বিনিময়ে ২ উইকেট পান নাসিম শাহ।
জবাব দিতে নেমে ওপেনার ইমাম উল হক ১ রানে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে সাজঘরে ফিরলেও বাবর আজমের ফিফটিতে একটা সময় ২ উইকেটে ১০৮ রান ছিল পাকিস্তানের। বাবর ৫৮ বলে ৪ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ৫০ করে আউট হন। এরপর মোহাম্মদ রিজওয়ান মারকুটে হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ৩২ বলে ৩৭ রানে থামে তার ইনিংস। শেষদিকে ৫২ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় পড়ে পাকিস্তান। তৈয়ব তাহির শেষদিকে ৩১ বলে ৩৩ রান করে কেবল পরাজয়ের ব্যবধান কমিয়েছেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
নিউজিল্যান্ড : ৪২ ওভারে ২৬৪/৮ (মাইকেল ব্রেসওয়েল ৫৯, রাহিস মারিউ ৫৮, ড্যারেল মিচেল ৪৩; আকিফ জাভেদ ৪/৬২, নাসিম শাহ ২/৫৪)
পাকিস্তান : ৪০ ওভারে ২২১/১০ (বাবর আজম ৫০, মোহাম্মদ রিজওয়ান ৩৭, তায়িব তাহির ৩৩; বেন সিয়ার্স ৫/৩৪, জ্যাকব ডাফি ২/৪০)
ফল : নিউজিল্যান্ড ৪৩ রানে জয়ী
সিরিজ : তিন ম্যাচের সিরিজ ৩-০ তে জয়ী নিউজিল্যান্ড
ম্যাচসেরা : মাইকেল ব্রেসওয়েল (৫৯ রান ও ১ উইকেট)
সিরিজসেরা : বেন সিয়ার্স (১০ উইকেট)