যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তার গ্যারান্টি না দিলে রাশিয়া আবারও ইউক্রেন দখলে নামতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতের আগে এ কথা বললেন তিনি। খবর বিবিসির।
এর আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইউক্রেনের নিরাপত্তা দেওয়া ইউরোপের দায়িত্ব। যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের নিরাপত্তার গ্যারান্টি দেবে না।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, শুক্রবার তিনি ওভাল অফিসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন, যেখানে ‘বিরাট’ একটি চুক্তি হতে পারে। ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা এবং সহযোগিতার বিষয়ে এই বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্টারমার বলেন, “রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাজ্য ২০২৭ সাল পর্যন্ত প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াবে।” এর পাশাপাশি, তিনি জানিয়ে দেন যে, দেশের প্রতিরক্ষা খাতে বার্ষিক ১৭শ’ কোটি ডলার বাড়ানোর পাশাপাশি, বিদেশি উন্নয়ন সহায়তার অংশ কমিয়ে মোট জাতীয় সম্পদের ২.৩ শতাংশ থেকে তা ২.৫ শতাংশে নিয়ে আসা হবে।
স্টারমার আরও মন্তব্য করেন, “এটি অপরিহার্য ছিল কারণ রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মতো স্বৈরশাসকরা শুধু শক্তির মাধ্যমে সাড়া দেন।” তিনি জানান, ইউক্রেনের পাশে দাঁড়ানো প্রয়োজন, কারণ স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হলে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তার হুমকি বাড়তে থাকবে।
এদিকে, ট্রাম্পের মন্তব্য অনুযায়ী, ইউক্রেনের নিরাপত্তা ইউরোপের দায়িত্ব, এবং যুক্তরাষ্ট্র সেই দায়িত্ব নেবে না, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন আলোচনা শুরু করেছে।