মার্কিন ডলারের দর বাড়ার পাশাপাশি ফেডারেল রিজার্ভের সর্বশেষ বৈঠকের কার্যবিবরণী প্রকাশের আগে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে পতন হয়েছে। সুদের হার নিয়ে ফেডের নীতিনির্ধারকদের অবস্থান কী, কার্যবিবরণী প্রকাশের পর তা আরও স্পষ্ট হতে পারে। ফলে স্বর্ণে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিতে সতর্ক রয়েছেন বিনিয়োগকারীরা।
বুধবার (৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বেলা ১২টা ২৭ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৩০ দশমিক ৩৭ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ১৫৭ ডলারে।
বাজার বিশ্লেষক ফ্রাঙ্ক ওয়ালবাউম বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, স্বর্ণের বাজারে কিছুটা মন্দাভাব দেখা দিলেও সামগ্রিকভাবে দাম স্থিতিশীল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি বলেন, ফেডের বৈঠকের কার্যবিবরণী প্রকাশ হলে তাদের মুদ্রানীতি এবং সুদের হার বাড়ানোর বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের অবস্থান আরও স্পষ্ট হবে। সেই অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।
ওয়ালবাউমের মতে, পরবর্তী সময়ে দীর্ঘমেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের সুদহার, মার্কিন ডলারের মূল্য এবং মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির কারণে তেলের দামে পরিবর্তন এলে তার প্রভাব পড়তে পারে স্বর্ণের বাজারেও।
এদিকে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে রুপার দাম ১ দশমিক ৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬০ দশমিক ৫৪ ডলারে নেমেছে। প্ল্যাটিনামের দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ কমে হয়েছে ১ হাজার ৬৭৯ দশমিক ২০ ডলার। আর প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৫৪ দশমিক ৩৫ ডলারে।
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম
এদিকে দেশের বাজারে বর্তমানে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ১৮ হাজার ৮১৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৮৭ হাজার ৯০৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

