spot_img

ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ দ্রুত ফুরিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সাংবাদিক

অবশ্যই পরুন

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্র অত্যন্ত দ্রুতগতিতে তার ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ ব্যবহার করেছে এবং এসব মজুদ পুনরায় পূরণ করতে দেশটির কয়েক বছর সময় লাগতে পারে বলে দাবি করেছেন মার্কিন অস্ত্রশিল্পবিষয়ক সাংবাদিক ক্রিস্টোফার লিওনার্ড।

ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা ইরনার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে পার্সটুডে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘ফাইট’ নামের একটি ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে লিওনার্ড মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ নিয়ে এসব মন্তব্য করেন।

লিওনার্ড বলেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদকে একটি ‘রিজার্ভ অ্যাকাউন্ট’ হিসেবে দেখেন। তাঁর মতে, দেশের ভেতরে ও বাইরে মার্কিন সামরিক শক্তির অন্যতম ভিত্তি হলো এই মজুদ। একই সঙ্গে মিত্রদের সহায়তার ক্ষেত্রেও এসব অস্ত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তিনি দাবি করেন, মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উপলব্ধি করেছে যে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ অত্যন্ত সীমিত। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে সেই মজুদ দ্রুত কমে গেছে এবং বর্তমানে ওয়াশিংটন এ ক্ষেত্রে একটি সংকটের মুখোমুখি।

লিওনার্ডের দাবি, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র তার থাড (THAAD) ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মোট ইন্টারসেপ্টর মজুদের প্রায় ৫০ থেকে ৮০ শতাংশ ব্যবহার করেছে।

একই সময়ে কয়েক দশকে উৎপাদিত প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৫০ থেকে ৬৭ শতাংশ ব্যবহার করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

এ ছাড়া আক্রমণাত্মক টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় ৫০ শতাংশ মজুদও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের সময় ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানান এই সাংবাদিক।

লিওনার্ডের মতে, ব্যবহৃত ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ পুনর্গঠন করতে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মজুদ পুনরায় পর্যাপ্ত পর্যায়ে না আসা পর্যন্ত বড় কোনো নতুন হুমকি মোকাবিলায় ওয়াশিংটনের কৌশলগত চাপ অব্যাহত থাকতে পারে।

তিনি বলেন, এ পরিস্থিতির প্রভাব শুধু যুক্তরাষ্ট্রের ওপর সীমাবদ্ধ থাকবে না; দেশটির মিত্ররাও এর প্রভাব অনুভব করতে পারে।

লিওনার্ডের দাবি, ইউরোপ, উপসাগরীয় অঞ্চল ও এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের যেসব মিত্র মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর নির্ভর করে, তাদের নতুন অস্ত্র সরবরাহের জন্য চার, পাঁচ এমনকি ছয় বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।

তাঁর ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র নিজেই এমন একটি গর্তে পড়েছে, যেখান থেকে বের হতে দেশটির কয়েক বছর সময় লাগবে।

তবে এসব পরিসংখ্যান ও মূল্যায়ন ক্রিস্টোফার লিওনার্ডের বক্তব্য ও বিশ্লেষণের ভিত্তিতে দেওয়া হয়েছে; এগুলো মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের আনুষ্ঠানিক পরিসংখ্যান হিসেবে উপস্থাপন করা হয়নি। পার্সটুডে

সর্বশেষ সংবাদ

প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পরিকল্পিত নগরায়নের লক্ষ্যে সরকার দেশের প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করছে। নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক,...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ