ইরানের শত্রুদের জন্য সামনে একাধিক ‘চমক’ অপেক্ষা করছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাজিদ এবন আল-রেজা।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মাজিদ এবন আল-রেজা বলেন, এসব ‘চমক’ সম্পর্কে এখনই বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করা হবে না। তবে ইরানের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতা, তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবনী শক্তি এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে চলমান কার্যক্রমের ফল ভবিষ্যতে দেখা যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
তার ভাষায়, “বিশেষ করে শত্রুদের জানা উচিত, সময়মতো তারা ইরানের এসব চমক সম্পর্কে জানতে পারবে।”
এদিকে তাসনিমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর গত ছয় মাসে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও গোয়েন্দা স্থাপনাগুলোতে ইরানের হামলায় কয়েক বিলিয়ন ডলারের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ ব্যবস্থায় ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত কমে আসছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এসব ইন্টারসেপ্টর উৎপাদনে যেমন বিপুল ব্যয় হয়, তেমনি সময়ও লাগে। তবে হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগন অস্ত্রের ঘাটতির এমন দাবি অস্বীকার করেছে।

