spot_img

হামলায় এআই ব্যবহার করছে উত্তর কোরিয়া

অবশ্যই পরুন

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রের মদদপুষ্ট হ্যাকাররা সামরিক, কূটনৈতিক ও শিক্ষাক্ষেত্রে তাদের লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে সাইবার হামলা জোরদারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করছে। সোমবার (১০ আগস্ট) দক্ষিণ কোরিয়ার সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা জেনিয়ানস কর্তৃক প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। খবর আল জাজিরার।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তর কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হ্যাকিং গ্রুপ ‘কিমসুকি’ ২০১৬ সাল থেকে ‘স্পিয়ার-ফিশিং’ তথা নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর ওপর সুনির্দিষ্ট হামলার ক্ষেত্রে এআই ব্যবহার করে আসছে। সাইবার হামলায় এআই ব্যবহার করে গবেষণাপত্র বা আমন্ত্রণপত্রের ছদ্মবেশে ক্ষতিকর জাল নথি তৈরি করা হয়েছে।

এ ছাড়া শনাক্তকরণ ঠেকাতে গোষ্ঠীটি ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (এলএলএম) চালাতে ওলামা, জিপিটি-৪-অল এবং এমএসটিওয়াই-এর মতো ওপেন-সোর্স টুল ব্যবহার করেছে। জেনিয়ানস আরও জানিয়েছে, এআই খুব অল্প সময়ের মধ্যেই অত্যন্ত নিখুঁত ও পরিপাটি জাল নথি তৈরি করতে পারে। এই সক্ষমতা এআইকে সাইবার হামলাকারীদের জন্য একটি কার্যকর হাতিয়ারে পরিণত করেছে।

ব্রিটিশ ব্লকচেইন অ্যানালিটিক্স প্রতিষ্ঠান ইলিপটিক-এর একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫ সালের প্রথম ৯ মাসে উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা ২০০ কোটি ডলারেরও বেশি মূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরি করেছে।

এর আগে ২০১৪ সালে সনি পিকচার্স হ্যাকিংয়ের ঘটনায় উত্তর কোরিয়াকে দায়ী করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ‘দ্য ইন্টারভিউ’ নামক একটি কমেডি সিনেমায় উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনকে ব্যঙ্গ করায় পিয়ংইয়ং ক্ষুব্ধ হয়। এই ঘটনার জের ধরে ওই হ্যাকিংয়ের ঘটনাটি ঘটেছিল।

সাম্প্রতিক সময়ে এআই-এর দ্রুত অগ্রগতির ফলে এর দ্বারা ক্ষতির আশঙ্কা এবং সিস্টেমের অনিয়ন্ত্রিত বা বিপজ্জনক হয়ে ওঠার ভয় বাড়ছে। এমন প্রেক্ষাপটেই সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক এই প্রতিবেদনটি সামনে এসেছে।

সর্বশেষ সংবাদ

দরকষাকষির জন্য ১,৭০০ ফিলিস্তিনির লাশ আটকে রেখেছে ইসরায়েল

হামাসের কাছে কোনো ইসরায়েলি বন্দি না থাকা সত্ত্বেও ভবিষ্যৎ বিনিময় চুক্তিতে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে ইসরায়েল প্রায় এক হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনির...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ