চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সরকারের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় দেশের ৫৫ লাখ গ্রামীণ দরিদ্র ও অতি-দরিদ্র পরিবারকে প্রতি কেজি ১৫ টাকা মূল্যে মাসিক ৩০ কেজি করে ৬ মাসে মোট ৯.৯০ লাখ মেট্রিক টন চাল বিতরণ করা হবে।
এছাড়া, অপুষ্টি নিরসন ও জনগণের পুষ্টি নিরাপত্তা জোরদারে এই কর্মসূচির আওতায় মোট ৩০০টি উপজেলায় ৬টি ভিটামিন ও খনিজসমৃদ্ধ পুষ্টিচাল বিতরণ করা হবে।
আজ বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
সভায় জানানো হয়, গত পাঁচ অর্থবছরে সরকারি খাতে গড়ে ৩২.৩২ লাখ মেট্রিক টন এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ৩৫.০৮ লাখ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয়েছে। খাদ্যশস্যের চাহিদা ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি এবং খাদ্য নিরাপত্তা, দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির পরিসর বৃদ্ধি পাওয়াতে সরকারি খাদ্যশস্যের নিরাপত্তা মজুতের পরিমাণ বিদ্যমান ১৩ লাখ মেট্রিক টন থেকে বৃদ্ধি করে স্বাভাবিক সময়ে ১৪ লাখ মেট্রিক টন এবং দুর্যোগকালীন সময়ে ১৫ লাখ মেট্রিক টন নির্ধারণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগ, জরুরি পরিস্থিতি এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার সাময়িক বিঘ্নের সময় দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে দ্রুত ও নির্বিঘ্নে খাদ্যশস্য সংরক্ষণ ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে ৩টি পার্বত্য জেলায় নতুন খাদ্য গুদাম নির্মাণের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এছাড়াও ২০৩০ সালের মধ্যে বর্তমান খাদ্যশস্য মজুদ সক্ষমতা ৩০ লাখ মেট্রিক টন বৃদ্ধি করার বিষয়ও সিদ্ধান্ত হয়েছে।
সভায় খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির (এফপিএমসি) সদস্য ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

