spot_img

যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাসাইলাম ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন

অবশ্যই পরুন

যুক্তরাষ্ট্রের আশ্রয় (অ্যাসাইলাম) ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন অন্তর্বর্তী (Interim Final Rule) নীতিমালা অনুযায়ী, অনেক ‘স্বতঃপ্রণোদিত রাজনৈতিক আশ্রয়’ (affirmative asylum) আবেদনকারীর ক্ষেত্রে আর বাধ্যতামূলক সাক্ষাৎকার নেবেন না ইউএস সিটিজেনশিপ অ্যান্ড ইমিগ্রেশন সার্ভিসেস (USCIS)-এর কর্মকর্তারা। পরিবর্তে, আবেদন সরাসরি ইমিগ্রেশন আদালতে পাঠানো যাবে, যেখানে বিচারক মামলার শুনানি করবেন। প্রশাসনের দাবি, এর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের মামলার জট কমবে।

নতুন নিয়মের আওতায় প্রায় ৪ লাখ ৪৪ হাজার থেকে ১৪ লাখ পর্যন্ত ঝুলে থাকা বা পেন্ডিং অ্যাসাইলাম মামলা ধাপে ধাপে ইমিগ্রেশন আদালতে স্থানান্তরিত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে বহিষ্কার (Removal) সংক্রান্ত মামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (DHS) ও USCIS জানিয়েছে, আশ্রয় ব্যবস্থার অপব্যবহার বন্ধ করা এবং প্রকৃত দাবিদারদের আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এক বিবৃতিতে USCIS-এর পরিচালক জোসেফ এডলো বলেন, বহু বছর ধরে অনেক আবেদনকারী সুরক্ষার বৈধ দাবি না থাকলেও আশ্রয় ব্যবস্থাকে সময়ক্ষেপণ এবং কাজের অনুমতি পাওয়ার উপায় হিসেবে ব্যবহার করেছেন। তাঁর ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রের আশ্রয় ব্যবস্থা প্রকৃত নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য, আইনি ফাঁকফোকর হিসেবে ব্যবহারের জন্য নয়।

তবে নতুন নীতির তীব্র সমালোচনা করেছেন অভিবাসন আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মীরা। তাদের দাবি, সাক্ষাৎকার ছিল আবেদনকারীদের জন্য নিজেদের নির্যাতনের আশঙ্কা সরাসরি তুলে ধরার একমাত্র অ-বিরোধমূলক সুযোগ। সেই ধাপ বাদ দেওয়ায় অনেকেই নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ হারাতে পারেন এবং দ্রুত বহিষ্কার প্রক্রিয়ার মুখে পড়তে পারেন।

উল্লেখ্য, নতুন নীতিটি ২৮ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। এটি একটি ইন্টেরিম ফাইনাল রুল অর্থাৎ নিয়মটি কার্যকর থাকলেও জনমত গ্রহণের জন্য ৬০ দিনের মন্তব্য (public comment) গ্রহণ করা হচ্ছে।

সর্বশেষ সংবাদ

ব্রাজিলের রাজনীতির এক কিংবদন্তি লুলা

গায়ে কোনো জামা নেই। ট্রেডমিলে দৌড়াচ্ছেন। ঘামে ভিজে যাচ্ছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা। তিনি দৌড়াচ্ছেন। থামছেন...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ