বাংলাদেশ থেকে তিন লাখ রোহিঙ্গা ফেরত নিতে চেয়েছে মিয়ানমার। দেশটির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে বুধবার এ তথ্য জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। তবে বাংলাদেশের সঙ্গে এই প্রত্যাবাসন মিয়ানমার কবে শুরু করবে, সে বিষয়ে কোনো সময় জানাননি আনোয়ার ইব্রাহিম। খবর আনাদোলু এজেন্সির।
খবরে বলা হয়েছে, বৈঠকে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে প্রথম ধাপে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার। আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট সমাধানে এটিই প্রথম পদক্ষেপ।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জান্তার নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের অন্যতম বড় আশ্রয়স্থল বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া। দেশ দুটিতে এই অঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ রোহিঙ্গা শরণার্থী জনগোষ্ঠী বাস করছে। এর মধ্যে ২০১৭ সাল থেকে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর দমন-পীড়নের মুখে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। বড় সংখ্যক রোহিঙ্গা ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রা পেরিয়ে ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়ায় আশ্রয় নিয়েছেন।
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অনেকে বলেন– তাদের ফেরত পাঠান। কিন্তু কোথায় ফেরত পাঠাব? মিয়ানমার তো তাদের নিতে চাইত না। মিয়ানমারের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখা গুরুত্বপূর্ণ। এখন তারা প্রথম ধাপে ৫ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে।’
আঞ্চলিক শরণার্থী সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান খুঁজতে মিয়ানমারের সঙ্গে মালয়েশিয়া আলোচনা অব্যাহত রাখবে বলেও জানান তিনি।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

