spot_img

গ্যালারিতে আলো ছড়াচ্ছেন হলান্ডের জীবনসঙ্গী ইসাবেল!

অবশ্যই পরুন

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম আলোচিত তারকা আর্লিং হলান্ডকে নিয়ে ভক্তদের আগ্রহের শেষ নেই। মাঠে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পাশাপাশি তাঁর ব্যক্তিজীবন নিয়েও কৌতূহল রয়েছে অনেকের। তবে বরাবরই ব্যক্তিগত বিষয় আড়ালে রাখতে পছন্দ করেন ম্যানচেস্টার সিটি ও নরওয়ে জাতীয় দলের এই স্ট্রাইকার।

২৫ বছর বয়সী হলান্ডের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পর্ক রয়েছে স্বদেশি ইসাবেল হগসেং ইয়োহানসেনের। যদিও দুজনের বিয়ের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা এখনো পাওয়া যায়নি, তবে তাঁদের সম্পর্ক যে গভীর ও দীর্ঘস্থায়ী, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। কৈশোরের পরিচয় থেকে শুরু হওয়া এই সম্পর্ক এখন একটি ছোট্ট পরিবারে পরিণত হয়েছে।

ইসাবেলের জন্ম নরওয়ের ব্রাইন শহরে, যেটি হলান্ডেরও জন্মস্থান। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। হলান্ডের মতো তিনিও ব্রাইন এফকের বয়সভিত্তিক দলে খেলেছেন। যদিও পরবর্তীতে পেশাদার ফুটবলে ক্যারিয়ার গড়েননি, তবুও ফুটবলের প্রতি তাঁর আগ্রহ এখনো রয়েছে।

হলান্ড যখন মাঠে থাকেন, ইসাবেলকে প্রায়ই দেখা যায় গ্যালারিতে। ২০২৬ বিশ্বকাপেও নরওয়েকে সমর্থন জানাতে মাঠে উপস্থিত হয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। টেক্সাসে সেনেগালের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে হলান্ডের জার্সির সঙ্গে কাউবয়-অনুপ্রাণিত পোশাকে গ্যালারিতে হাজির হন ইসাবেল। তাঁর সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

বন্ধুত্ব থেকে ভালোবাসার গল্প

হলান্ড ও ইসাবেলের পরিচয় নতুন নয়। ব্রাইন শহরে একসঙ্গে বেড়ে ওঠার পাশাপাশি একই ক্লাবের বয়সভিত্তিক দলে খেলেছেন তারা। তবে কিশোর বয়সে তাঁদের প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়নি। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১ সালের দিকে তাঁদের সম্পর্ক নতুন মাত্রা পায়।

নরওয়ের সম্প্রচারমাধ্যম এনআরকে-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হলান্ড জানিয়েছিলেন, সম্পর্কের প্রথম উদ্যোগ নিয়েছিলেন ইসাবেল। তাঁর ভাষায়, “ও-ই আমাকে প্রথম মেসেজ পাঠিয়েছিল। আমরা একই ক্লাব ব্রাইনের হয়ে খেলতাম। তবে ও-ই আগে আমাকে লক্ষ্য করেছে।”

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা পেলেও নিজেদের সম্পর্ককে সবসময় ব্যক্তিগত রাখতে চেয়েছেন হলান্ড ও ইসাবেল। বিশেষ অনুষ্ঠান বা ফুটবল ম্যাচে একসঙ্গে দেখা গেলেও ব্যক্তিজীবন নিয়ে খুব বেশি কথা বলেন না তারা।

বাবা হওয়ার পর বদলে গেছে হলান্ডের জীবন

সম্প্রতি বাবা হওয়ার পর নিজের জীবনে বড় পরিবর্তনের কথা জানিয়েছেন হলান্ড। স্কাই স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, সন্তানের আগমনের পর মাঠের বাইরের জীবন আরও বেশি উপভোগ করতে শিখেছেন তিনি।

হলান্ড বলেন, বাড়িতে ফেরার পর এখন ফুটবল থেকে পুরোপুরি দূরে থাকতে পারেন। পরিবারকে সময় দেওয়া এবং স্বাভাবিক জীবন উপভোগ করাই তাঁর কাছে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

বর্তমানে ফুটবল মাঠে গোলের পর গোল করে আলোচনায় থাকা হলান্ড, মাঠের বাইরেও ইসাবেল ও পরিবারের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ জীবন কাটাচ্ছেন। তবে বিয়ের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কবে আসবে, সেটিই এখন ভক্তদের আগ্রহের বিষয়।

সর্বশেষ সংবাদ

ভিসা নিয়ে সৌদি আরবের সুখবর

বিদেশি পর্যটকদের জন্য ভ্রমণকে আরও সহজ ও ঝামেলামুক্ত করতে নতুন ‘প্যাকেজ ভিসা’ পাইলট কর্মসূচি চালু করেছে সৌদি আরব। নতুন...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ