spot_img

বাধ্য না হলে ইরানে আর সামরিক অভিযান চালাতে চায় না যুক্তরাষ্ট্র: জেডি ভ্যান্স

অবশ্যই পরুন

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বুধবার বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছে কোনো স্পষ্ট উদ্দেশ্য ছাড়া ইরানে আর সামরিক অভিযান চালাতে চান না।

সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমি এটুকু নিশ্চিত করে বলতে পারি যে, প্রয়োজন না হলে প্রেসিডেন্ট আমাদের সামরিক বাহিনীকে আবার সেখানে পাঠাবেন না।’

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি ইরান আবার তার পারমাণবিক কর্মসূচি পুনর্গঠন করার চেষ্টা করে অথবা বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বানায়, তাহলে ওয়াশিংটনের কৌশল পরিবর্তিত হবে।

ভ্যান্স আরও জানান, দোহায় চলমান আলোচনা ভালোভাবেই এগোচ্ছে এবং প্রশাসন আন্তরিকতার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজে বের করার দিকেই মনোযোগী রয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই আলোচনাকে সফল হওয়ার জন্য সর্বোচ্চ সুযোগ দিতে চাই।

ভাইস প্রেসিডেন্ট ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও মন্তব্য করেন। তাঁর দাবি, তেহরানের অনেকেই এখন উপলব্ধি করছেন যে, গত কয়েক দশকের শাসনব্যবস্থা ছিল একটি ‘ভুল’। তিনি বলেন, ‘আমাদের মনে হচ্ছে, নতুনভাবে এগিয়ে যেতে আগ্রহী মানুষের পক্ষে ইতিবাচক গতি তৈরি হয়েছে।’ তবে তিনি স্বীকার করেন, এখনো অনেকে পুরোনো নীতিতেই অটল রয়েছেন।

এদিকে ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের আলোচক স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার এই সপ্তাহে কাতারে ইতিবাচক আলোচনা করেছেন। কয়েক মাস ধরে চলা সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে ওয়াশিংটন ও তেহরান কাজ করে যাচ্ছে।

মার্কিন প্রশাসনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, সম্প্রতি স্বাক্ষরিত শান্তি স্মারকের সামগ্রিক কাঠামোকে চূড়ান্ত রূপ দিতে প্রযুক্তিগত পর্যায়ের আলোচনায় অগ্রগতি হচ্ছে।

গত মাসে শুরু হওয়া বর্তমান ৬০ দিনের আলোচনার সময়সীমায় নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ, পারমাণবিক কর্মসূচির যাচাই-বাছাই এবং হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি পুনরায় উন্মুক্ত করার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

অন্যদিকে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথসহ শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টাদের সঙ্গে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ পুনরায় শুরু করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। তবে আপাতত তিনি কূটনীতিক প্রচেষ্টাকেই অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

খবরে বলা হয়, ট্রাম্প আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, নতুন করে ব্যাপক হামলা শুরু হলে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যাহত হতে পারে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করার উদ্যোগ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

জার্নালের সঙ্গে কথা বলা কর্মকর্তারা জানান, আলোচনা কার্যকর রাখতে প্রয়োজনে ১৮ আগস্টের প্রাথমিক সময়সীমার পরেও আলোচনা চালিয়ে যেতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রস্তুত রয়েছেন।

তবে হোয়াইট হাউসের আশাবাদী বক্তব্যের বিপরীতে, তেহরান আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে যে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে কোনো সরাসরি বৈঠক নির্ধারিত নেই। তাদের দাবি, সব ধরনের আলোচনা কেবল মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমেই পরিচালিত হচ্ছে।

সূত্র: এক্সপ্রেস ট্রিবিউন

সর্বশেষ সংবাদ

নতুন পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।  প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর আজ বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) এই গেজেট প্রকাশ করা...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ