spot_img

স্বপ্নার বুদ্ধিতেই পালাতে সক্ষম হন সোহেল

অবশ্যই পরুন

সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্ন আক্তার দুজনই সমান অপরাধে অপরাধী বলে উল্লেখ করে তাদের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ রোববার (০৭ জুন) শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালত।

আদালত বলেছেন, ‘আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার অপরাধ সংশোধনযোগ্য নয়। তাদের সর্বোচ্চ শান্তি হওয়ার দরকার।’

আদালত জানিয়েছেন, স্বপ্না স্বপ্রণোদিত হয়ে সোহেলকে পালানোর পরামর্শ দেন। একইসঙ্গে স্বপ্নার বুদ্ধিতেই ঘরের জানালার গ্রিন কেটে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন সোহেল।

মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর আগে, আলোচিত এ মামলায় রায়কে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।

এদিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে আদালতে আনা হয়। পরে ৮টা ৫০ মিনিটে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে আনা হয় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে। এসময় তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় নেওয়া হয়।

রায় ঘোষণার আগে কড়া পুলিশি নিরাপত্তায় মাথায় হেলমেট, বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে সোহেলকে এজলাসে নেওয়া হয় ১০ টা ৪৫ মিনিটে।

এর আগে, ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত। মাত্র চার কার্যদিবসে মামলাটির বিচারকাজ সম্পন্ন হয়। রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও তৎপর থাকতে দেখা গেছে।

গত ১ জুন সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেওয়া হয়। ২ জুন শুরু হয় সাক্ষ্যগ্রহণ। ওই দিন ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ করেন আদালত।

সর্বশেষ সংবাদ

রামিসা হত্যার রায় দ্রুত কার্যকরে সহায়তা করা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রামিশা হত্যার রায় দ্রুত কার্যকরে সহায়তা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের নজরে...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ