সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রাইসি ২০২৪ সালের ১৯ মে পূর্ব আজারবাইজান প্রদেশের পাহাড়ি এলাকায় এক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত হন। তার দ্বিতীয় শাহাদাতবার্ষিকীতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা যে বিবৃতি দিয়েছেন তা উপস্থাপন করা হলো:
‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’
ফার্সি উর্দি বেহেশত বা মে মাসের বিমান দুর্ঘটনার শহীদদের এবং তাদের শীর্ষে থাকা শহীদ প্রেসিডেন্ট হুজ্জাতুল ইসলাম ওয়াল মুসলিমিন রায়িসি’র স্মরণ, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের খেদমতগার (সেবক) শহীদদের দীর্ঘ কাফেলার কথাই মনে করিয়ে দেয়; মোতাহারি, বেহেশতি, রাজায়ি ও বাহোনার থেকে শুরু করে রায়িসি, আল-হাশেম, আমির-আব্দুল্লাহিয়ান এবং লারিজানি পর্যন্ত—ইমাম খোমেনী (র.) এবং প্রিয় খামেনেয়ীর মকতবে (আদর্শে) গড়ে ওঠা শত শত বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, যারা ইসলামী প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের আন্তরিক ও মুজাহিদসুলভ সেবার খাতার পাতাকে নিজেদের রক্তের স্বাক্ষরে সজ্জিত করেছেন।
বর্তমানে আমরা দু’টি বৈশ্বিক সন্ত্রাসী সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ইতিহাসের অনন্য প্রতিরোধে ইরানি জাতির মহাকাব্যিক বীরত্বের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছি। এই বিষয়টি ইসলামী প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের—সর্বোচ্চ নেতৃত্ব ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগণ থেকে শুরু করে সকল স্তরের পরিচালকদের—দায়িত্বের বোঝাকে অতীতের চেয়ে আরও অনেক বেশি ভারী করে তুলেছে। আজ, জনগণ, সরকার এবং ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সমস্ত প্রতিষ্ঠানের মধ্যকার এই সংহতির নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় লুকিয়ে আছে কর্মকর্তাদের দ্বিগুণ অনুপ্রেরণা ও মুজাহিদসুলভ সেবার মধ্যে; জনগণের সমস্যা ও উদ্বেগের—বিশেষ করে অর্থনৈতিক ও জীবনযাত্রার মানসংক্রান্ত সংকটের—সমাধান করার মধ্যে; সরাসরি মাঠে উপস্থিত থাকার মধ্যে; এবং দেশের অগ্রগতি ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে আশাবাদী পথচলায় জাগ্রত জনগণের জন্য একটি কার্যকর ভূমিকা নির্ধারণ করার মধ্যে।
জনগণের সেবায় নিয়োজিত শহীদদের ওপর আল্লাহর রহমত ও সন্তুষ্টি বর্ষিত হোক এবং আমাদের নেতা (ইমাম মাহদি (আ.)-এর দোয়া মুসলিম ইরানি জনগণের সেবকদের সহায় হোক।
সূত্র: পার্সটুডে

