কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি থেকে ইরানের মাইন ধ্বংস এবং নৌপথ দখলমুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরপরই হরমুজে দৃশ্যমান পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) প্রথমবারের মতো দুটি বিশাল চীনা সুপারট্যাঙ্কার সফলভাবে এই প্রণালি অতিক্রম করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে দাবি করেছেন, ইরানের নৌ ও বিমান বাহিনী এখন পুরোপুরি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তেহরানের মাইন ফেলার ২৮টি বোটই এখন সমুদ্রের তলদেশে জানিয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন পুরো প্রণালিটি ‘সাফ’ করার কাজ করছে। ট্রাম্পের মতে, চীন, জাপান ও জার্মানির মতো দেশগুলোর নিজেদের এই কাজ করার মতো সাহস বা সক্ষমতা নেই।
এদিকে, শিপিং ডাটা ‘এলএসইজি’র তথ্যানুযায়ী, এশিয়ার বৃহত্তম তেল শোধনাগার সিনোপেক-এর চার্টার্ড করা দুটি ভেরি লার্জ ক্রুড ক্যারিয়ার— ‘কসপিয়ার্ল লেক’ এবং ‘হে রং হাই’ সফলভাবে হরমুজ প্রণালি পাড়ি দিয়েছে। জাহাজ দুটি ইরাক ও সৌদি আরবের প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল নিয়ে ইরানের লারাক দ্বীপকে পাশ কাটিয়ে নিরাপদ জলসীমায় পৌঁছেছে।
চলতি সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর এই বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর চলাচলকে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের জন্য একটি বড় স্বস্তি হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও ইরান দাবি করেছে যে তাদের অনুমতি ছাড়া কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারবে না।

