spot_img

পাকিস্তানকে চাপে ফেলে মধ্যস্থতা রাজি করায় যুক্তরাষ্ট্র!

অবশ্যই পরুন

মার্কিন প্রশাসনের প্রকাশ্য বক্তব্যের বিপরীতে বাস্তবে ইরান-ইসরায়েল সংঘাতে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রই বেশি তৎপর ছিল বলে জানিয়েছে একাধিক কূটনৈতিক সূত্র। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বারবার দাবি করেছিলেন, ইরান যুদ্ধবিরতির জন্য অনুরোধ করছে। তবে পরিস্থিতির অবনতির মধ্যে ওয়াশিংটনই সংঘাত থামাতে উদ্যোগী হয়ে ওঠে।

ফিনান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেলের দাম দ্রুত বৃদ্ধি এবং ইরানের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় বিস্মিত হয়ে গত ২১ মার্চ থেকেই যুদ্ধবিরতির পথ খুঁজছিল ট্রাম্প প্রশাসন। এর আগেই ট্রাম্প ইরান তার শর্ত না মানলে ‘পুরো সভ্যতা ধ্বংস’ করার হুমকিও দেন।

যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ইরানের কাছে পৌঁছাতে যুক্তরাষ্ট্র মিত্রদেশ পাকিস্তানকে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিতে চাপ দেয়। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তানের মাধ্যমে প্রস্তাব পাঠালে ইরান তা সহজে গ্রহণ করবে—এমনটাই ধারণা ছিল ওয়াশিংটনের।

পরে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির আলোচনার পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক মাধ্যমে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রকাশ করেন। যদিও পোস্টে ভুলবশত ‘ড্রাফট’ শব্দটি থেকে যাওয়ায় নেটিজেনদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয় এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

উল্লেখ্য, এর আগে মধ্যপ্রাচ্যে কাতার, কুয়েত, ওমানের মতো দেশগুলো এ ধরনের সংঘাতে মধ্যস্থতা করলেও এবার ইরানের হামলার কারণে সেই পথ সংকুচিত হয়ে পড়ে। পরে তুরস্ক, মিশর এবং পাকিস্তানের ওপরই এই দায়িত্ব বর্তায়, যার মধ্যে পাকিস্তানই শেষ পর্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখে।

সর্বশেষ সংবাদ

হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের স্পিকারের সাক্ষাৎ

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টের হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের (নিম্নকক্ষ) স্পিকার মিল্টন ডিকের...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ