spot_img

আলোচনায় থেকেও পরাজিত হলেন যারা

অবশ্যই পরুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে এ নির্বাচনে আলোচনায় থাকা অনেক প্রার্থী আশা জাগিয়েও শেষ মুহূর্তে হেরে গেছেন।

রাজনৈতিক অঙ্গনে সাড়া জাগানো কয়েকজন পরাজিত প্রার্থীর সংক্ষিপ্ত চিত্র তুলে ধরা হলো:

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

রাজধানীর ঢাকা-৮ আসন ছিল এবারের নির্বাচনের সবচেয়ে আলোচিত কেন্দ্রবিন্দু। এখানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস-এর বিপক্ষে প্রার্থী ছিলেন এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

প্রচারণা জুড়ে নানা বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে প্রায় পাঁচ হাজার ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন তিনি।
সারজিস আলম

জুলাই যোদ্ধাদের সমন্বয়ক হিসেবে পরিচিত সারজিস আলম পঞ্চগড়-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। ফল ঘোষণার পর তিনি বিজয়ী প্রার্থী ব্যারিস্টার মুহম্মদ নওশাদ জমিকে অভিনন্দন জানিয়ে রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের নজির স্থাপন করেন। নওশাদ জমি ধানের শীষ প্রতীকে পান ১ লাখ ৮৬ হাজার ১৮৯ ভোট, আর সারজিস আলম শাপলাকলি প্রতীকে পান ১ লাখ ৬৮ হাজার ৪৯ ভোট।

তাসনিম জারা

এনসিপির সাবেক নেত্রী ও জুলাই যোদ্ধাদের অন্যতম পরিচিত মুখ ডা. তাসনিম জারা। জামায়াত জোটে এনসিপির যুক্ত হওয়ায় পদত্যাগ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে লড়েছেন তিনি। ঢাকা-৯ আসনে তিনি হাবীবুর রহমানের বিপক্ষে হেরে যান এবং ফলাফলে তৃতীয় অবস্থানে থাকেন।

মামুনুল হক

ঢাকা-১৩ আসনে বিএনপির ববি হাজ্জাজ ও বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিশ-এর নেতা মাওলানা মামুনুল হকের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে।

ববি হাজ্জাজ পান ৮৮ হাজার ৩৮৭ ভোট, আর মামুনুল হক পান ৮৬ হাজার ৬৭ ভোট। ব্যবধান ছিল ২ হাজার ৩২০ ভোট। ফল ঘোষণার পর মামুনুল হক ফল টেম্পারিংয়ের অভিযোগ তোলেন।
আমিনুল হক

ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমিনুল হক দীর্ঘদিনের আন্দোলন সংগ্রামের কারণে আশাবাদী থাকলেও পরাজিত হন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-সমর্থিত কর্নেল (অব.) মো. আব্দুল বাতেনের কাছে। বাতেন পান ৮৬ হাজার ৮২৩ ভোট, আর আমিনুল হক পান ৮৪ হাজার ২০৭ ভোট।

মিয়া গোলাম পরওয়ার

জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার খুলনা-৫ আসনে বিএনপির মোহাম্মদ আলি আসগারের কাছে ২ হাজার ৭০২ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। আসগার পান ১ লাখ ৪৭ হাজার ৬৫৮ ভোট, অপরদিকে হেভিওয়েট প্রার্থী পরওয়ার পান ১ লাখ ৪৪ হাজার ৯৫৬ ভোট।

মোহাম্মদ শিশির মনির

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও জামায়াত প্রার্থী শিশির মনিরকে নিয়ে বড় প্রত্যাশা থাকলেও তিনি হেরে যান বিএনপির নাছির উদ্দিন চৌধুরীর কাছে। নাছির উদ্দিন চৌধুরী পান ৯৭ হাজার ৭৯০ ভোট, শিশির মনির পান ৫৭ হাজার ৮৫৮ ভোট।

হামিদুর রহমান আজাদ

কক্সবাজার-২ আসনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আজাদ পরাজিত হন বিএনপির আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদের কাছে। ফরিদ পান ১ লাখ ২৫ হাজার ২৬২ ভোট, আজাদ পান ৮৯ হাজার ৬৩৪ ভোট।

জিএম কাদের

একসময় লাঙ্গলের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত রংপুর-৩ আসনে জামায়াত প্রার্থী মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল) ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮২৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। বিএনপির মো. সামসুজ্জামান সামু পান ৮৪ হাজার ৫৭৮ ভোট। লাঙ্গল প্রতীকে জিএম কাদের পান ৪৩ হাজার ৩৮৫ ভোট।

মাহমুদুর রহমান মান্না

বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না মাত্র ৩ হাজার ৪২৬ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন। এখানে বিএনপির মীর শাহে আলম ১ লাখ ৪৫ হাজার ২৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন।

হারুনুর রশীদ হারুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি হারুনুর রশীদ হারুনকে হারিয়ে জয় পান জামায়াত প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুল। বুলবুল পান ১ লাখ ৮৯ হাজার ৬১৩ ভোট, হারুনুর রশীদ পান ১ লাখ ২৬ হাজার ৯৯৭ ভোট।

সর্বশেষ সংবাদ

জিম্বাবুয়ের কাছে অস্ট্রেলিয়ার হার

চলমান আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ চমক দেখিয়েছে জিম্বাবুয়ে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে অস্ট্রেলিয়াকে ২৩ রানে হারিয়ে গ্রুপপর্বে...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ