সাধারণত শীতের মৌসুমে বাতাস শুষ্ক থাকায় বেড়ে যায় ধূলিকণার পরিমাণ। আর এই কারণে বায়ুদূষণও বাড়তে থাকে। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের তালিকার রেকর্ডে দেখা যায়, ঢাকার বাতাসের মান ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’।
আজ বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকার ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়। আইকিউএয়ার বলছে, ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স স্কোর ২৩২, যা ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বাতাসের নির্দেশক। একই সময়ে বায়ুদূষণে শীর্ষে রয়েছে মিসরের কায়রো। শহরটির আইকিউএয়ার স্কোর ৪৪৫, যা দুর্যোগপূর্ণ বাতাসের নির্দেশক। শীর্ষ পাঁচে থাকা বিশ্বের অন্য শহরগুলো হলো- ভারতের দিল্লি (১৯৪), পাকিস্তানের করাচি (১৯১) ও ভারতের কলকাতা (১৮৮)।
বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী বায়ুমান সূচক ৫০- এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১ থেকে ১৫০- এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১ থেকে ২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।
২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়, জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ। এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।

