চট্টগ্রাম বন্দরে অচলাবস্থা তৈরি করছে বন্দরের কর্মচারীরা। এই অচলাবস্থার কারণে দেশের ক্ষতি হচ্ছে। নির্বাচন এবং রোজার আগে আগে এমন কর্মকাণ্ডের ফলে যে ক্ষতি, তার মাশুল কে দেবে, জানা নেই। জনগণ দেখছে এসব। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন।
এম. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, যে বিষয় নিয়ে আন্দোলনকারীরা কথা বলছে, সেটি নিয়ে এখনও ফাইনাল জায়গায় পৌঁছাইনি। বারবার সবাইকে বলেছি, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে কোনো কাজ করছি না এবং করব না। তারপরও তারা যদি না বুঝতে চায়, কোনো স্বার্থ নিয়ে এসব করে সে বিষয়ে কিছু বলতে পারব না।
বদলির সঙ্গে কর্মচারীদের ধর্মঘটের কোনো সম্পর্ক নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, বন্দরে অচলাবস্থা তৈরি অহেতুক। বন্দর কর্তৃপক্ষকে বলা হয়েছে, যেটি তারা মনে করে সেটিই করবে। ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তির বিষয়টি এখনও শেষ হয়নি। যদি চুক্তি অনুকূলে থাকে তাহলে হবে, নাহলে হবে না বলেও জানান উপদেষ্টা।
চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশিদের কাছে ইজারা দেয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ডাকা কর্মবিরতির তৃতীয় দিন আজ সোমবারও বন্দরের পরিচালন কার্যক্রমে প্রায় অচলাবস্থা চলছে। সকাল ৮টা থেকে বন্দর জেটিতে জাহাজ থেকে কনটেইনার ও পণ্য ওঠানো-নামানোর কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। এ অবস্থায় এনসিটি ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে আগামীকাল মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে একটানা ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতি কর্মসূচি ঘোষণা করেছে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বন্দর ভবনের সামনের চত্বরে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের অন্যতম সমন্বয়ক ইব্রাহিম হোসেন।

