পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া-সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের (ইসি) গেজেট অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।
একইসঙ্গে পাবনা-১ ও ২ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত রাখতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবেদনের শুনানিও হবে বৃহস্পতিবার।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ শুনানির জন্য এ দিন ধার্য করেন। আদালতে ইসির পক্ষে ছিলেন ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক। অপরপক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার ইমরান আবদুল্লাহ সিদ্দিকী।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) পাবনা-১ ও ২ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত রাখতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করা হয়েছে। আবেদনে পাবনা-১ ও ২ আসনে যথাসময়ে নির্বাচন ও নির্বাচনী কার্যক্রম শুরুর করার নির্দেশনা চাওয়া হয়।
পাবনা-১ আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন এ আবেদন দায়ের করেন।
এর আগে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সীমানা সংক্রান্ত আপিল বিভাগের আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসনের নির্বাচন স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই দুটি আসনের নির্বাচন স্থগিত থাকবে।
ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত ৬ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন এ দুটি আসনের নির্বাচন স্থগিত করতে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তাকে চিঠি দেয়। চিঠিতে বলা হয়, নির্বাচনী এলাকা ৬৮ পাবনা-১ ও ৬৯ পাবনা-২ এর সীমানা সংক্রান্ত সিএমপি আপিল বিভাগের ৫ জানুয়ারি আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাবনা-১ ও পাবনা-২ এর নির্বাচন পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত রাখার জন্য নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত দিয়েছে।
গত ৫ জানুয়ারি পাবনার ১ ও ২ সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ করে গত ২৪ ডিসেম্বরের জারি করা গেজেট স্থগিত করেন আপিল বিভাগ। এ সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিলের শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়।

