যুক্তরাষ্টের কাছে সুর নরম করলেন ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। রোববার (৪ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় রাতে ট্রাম্পের হুমকির পর তিনি সুর নরম করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কাজ করার কথা বলেন।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) মধ্যরাতে যুক্তরাষ্ট্র অভিযান চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর এটি তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন। এর আগে, রোববার রাতে দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন রদ্রিগেজ। দায়িত্ব নেয়ার পর তিনি তার টেলিগ্রামে লিখেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে পারস্পারিক উন্নয়ন ও সম্মানজনক সম্পর্ককে অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করি।
ভাইস প্রেসিডেন্ট রদ্রিগেজকে দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিয়োগ করার আদেশ দেন ভেনেজুয়েলার আদালত । এর আগে, নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করা হয়। এটিকে ২০১১ সালে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেনকে হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযানের একটি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) টেলিভিশনে দেওয়া ভাষণে রদ্রিগেজ যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনকারী এক নৃশংসতা হিসেবে নিন্দা করেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘ভেনেজুয়েলার একমাত্র প্রেসিডেন্ট হলেন নিকোলাস মাদুরো’।
এ সময় রদ্রিগেজ টেলিভিশনে ট্রাম্প প্রশাসনকে ‘চরমপন্থীদের একটি দল’বলে আখ্যা দেন। এরপর রোববার দ্য আটলান্টিক ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, রদ্রিগেজ যদি সঠিক কাজ না করে তাহলে তাকে চরম মূল্য দিতে হবে। সম্ভবত মাদুরোর চেয়েও বেশি।
রোববারের বিবৃতির ফলে ডেলসি রদ্রিগেজ তার আগের সেই অবস্থান থেকে কার্যত সরে এসেছেন।

