চারপাশে অনেক মানুষ রয়েছেন যারা ডিপ্রেশনে বা বিষণ্নতা পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে সময় কাটাচ্ছেন। এ পরিস্থিতির মধ্যে আটকে থাকা খুবই নেতিবাচক। পরিস্থিতি থেকে উঠে আসার প্রয়োজন হয়। আপনিও কী এমন ডিপ্রেশনে আটকে আছেন?
ব্যক্তিভেদে ডিপ্রেশন ভিন্ন হতে পারে। কারও ক্ষেত্রে ডিপ্রেশন অনেক বেশি হয়, কারও আবার জটিল হয়। এর ধরন অনুযায়ী সমাধানও ব্যতিক্রম। কিছু ক্ষেত্রে ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি পেতে শারীরিক কার্যকলাপের প্রয়োজন হয়। আবার কিছু ক্ষেত্রে সৃজনশীল কর্মকাণ্ড, কখনো আবার বুঝতে পারে এমন কারও সঙ্গে কথা বলে ভালো সময়ে উপস্থিত হওয়া হয়। তবে কখনো কখনো ভারসাম্যহীনতার কারণে ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে।
ডিপ্রেশনে ভুগলে কিছু পদক্ষেপে এই পরিস্থিতি থেকে সরে আসা সম্ভব হয়। এ জন্য কার্যকরী কিছু পদক্ষেপ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ প্রদানকারী ওয়েবসাইট হেলথ লাইন। এবার তাহলে এ বিষয়ে জেনে নেয়া যাক।
টক থেরাপি: এটি এমন এক থেরাপি, যেখানে একজন প্রশিক্ষিত থেরাপিস্টের সঙ্গে নিজের উদ্বেগ, অনুভূতি নিয়ে আলোচনা করতে হয়। আপনি যদি মনে করেন, আপনাকে ভালো বুঝতে পারেন এমন কারও সঙ্গে কথা বলা প্রয়োজন এবং সঠিক নির্দেশনা দরকার, তাহলে টক থেরাপিস্টের দ্বারস্থ হতে হবে।
একজন টক থেরাপিস্ট আপনার সব কথা, চিন্তাভাবনা বা আচরণের ধরণ শনাক্ত করতে পারে এবং ডিপ্রেশন থেকে বের হয়ে আসতে অবদান রাখে। এই থেরাপি সাময়িক সময়ের জন্য আপনাকে ডিপ্রেশন থেকে মুক্তি দিতে পারে এবং ডিপ্রেশন অনেক বেশি থাকলে কিছুটা হালকা করবে আপনাকে।
কগনিটিভ বা জ্ঞানীয় ধেরাপি: কিছু মানুষ আছেন যারা নেতিবাচক বিষয়ে ডুবে থাকেন, তবে এসব থেকে বেরিয়েও আসতে চান। এ ক্ষেত্রে আপনাকে জ্ঞানীয় থেরাপিস্ট সহায়তা করতে পারে। নেতিবাচক ভাবনাগুলো আপনার হতাশা বাড়িয়ে থাকে। এ অবস্থায় যদি থেরাপিস্টের কাছে যান, তিনি আপনার নেতিবাচক বিষয় শনাক্ত করে তা থেকে কীভাবে বের হয়ে আসা যায়, সেই দিকনির্দেশনা দেবেন।
বিহেভিয়ারাল বা আচরণগত থেরাপি: সম্ভাব্য আত্ম-ধ্বংসাত্মক বা অস্বাভাবিক আচরণ শনাক্ত করতে এবং তা পরিবর্তনে সহায়তা করে আচরণগত থেরাপি। এর মাধ্যমে আচরণ শেখা যায় এবং অস্বাস্থ্যকর, অস্বাভাবিক বিষয় পরিবর্তন করা যায়। সাধারণত মানুষকে সুস্থতার অনুভূতি বাড়াতে সহায়ক এই থেরাপি।