spot_img

হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ সমর্থন করে না যুক্তরাজ্য: স্টারমার

অবশ্যই পরুন

হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে বৈশ্বিক উত্তেজনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য নৌ অবরোধের হুমকির প্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্য, চীন ও ইরান ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান তুলে ধরেছে, যা আন্তর্জাতিক জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

আল জাজিরা-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য অবরোধকে লন্ডন সমর্থন করবে না। তিনি বলেন, প্রণালিটি উন্মুক্ত রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং যুক্তরাজ্য কোনোভাবেই ইরানকে কেন্দ্র করে নতুন সংঘাতে জড়াতে চায় না।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর বক্তব্যের পর চীন সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে নিরাপদ ও স্থিতিশীল রাখা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্মিলিত স্বার্থ।

এদিকে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য অবরোধকে ‘অবৈধ’ ও ‘জলদস্যুতার শামিল’ বলে আখ্যা দিয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি-এর বরাতে জানানো হয়, পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরের বন্দরগুলো “সবার জন্য, নয়তো কারও জন্য নয়”।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনী সতর্ক করে বলেছে, নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। ‘শত্রুপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট’ জাহাজগুলোকে প্রণালি দিয়ে চলাচলের অনুমতি না দেওয়ারও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যদিও অন্যান্য জাহাজ নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলাচল করতে পারবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আন্তর্জাতিক জলসীমায় জাহাজ চলাচলে বাধা দেয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র যে পদক্ষেপ নিতে চাইছে, তা অবৈধ এবং জলদস্যুতার শামিল’। এছাড়া সতর্ক করে বলা হয়, যদি এই অঞ্চলের বন্দরগুলোর নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়ে, তাহলে কোনও বন্দরই নিরাপদ থাকবে না।

সূত্র: আল-জাজিরা

সর্বশেষ সংবাদ

আবারও আলোচনায় বসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেও এই সপ্তাহের শেষ দিকে আবারও আলোচনায় বসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। গত শনিবার...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ