spot_img

দলের জন্য নিরব বিসর্জন, ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে মুখ খুললেন মাহমুদউল্লাহ

অবশ্যই পরুন

বাংলাদেশ ক্রিকেটে তিনি বরাবরই পরিচিত ‘সাইলেন্ট কিলার’ হিসেবে। মাঠের ভেতরে বা বাইরে-চাপা স্বভাবের মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে খুব একটা উচ্চবাচ্য করতে দেখা যায়নি ক্যারিয়ারের সোনালী সময়েও। তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর পর এবার নিজের দীর্ঘদিনের জমে থাকা কথাগুলো প্রকাশ করলেন সাবেক এই অধিনায়ক।

সম্প্রতি ‘সিম্পলি সাঈদ’ পডকাস্টে অংশ নিয়ে মাহমুদউল্লাহ জানিয়েছেন, দলের প্রয়োজনে নিজের প্রিয় ব্যাটিং পজিশন কতবার বিসর্জন দিতে হয়েছে তাঁকে।

মাহমুদউল্লাহর মতে, বাংলাদেশ দলে তাঁর মতো ব্যাটিং পজিশন নিয়ে এতো বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষার শিকার আর কোনো ক্রিকেটারকে হতে হয়নি। ক্যারিয়ারের লম্বা সময় ৪ বা ৫ নম্বর পজিশনে থিতু হতে চাইলেও দলের বৃহত্তর স্বার্থে বারবার নিচে নেমে ব্যাটিং করতে হয়েছে তাঁকে।

তিনি বলেন, আমি সবসময় চেয়েছি ৪ বা ৫ নম্বরে ব্যাট করতে। কিন্তু দলের প্রয়োজনে যখন যেখানে বলা হয়েছে, আমি সেখানেই নিজেকে সঁপে দিয়েছি। এ নিয়ে কখনো কোনো অভিযোগ বা পাল্টা যুক্তি দাঁড় করাইনি।

ব্যাটিং অর্ডারের এই ঘনঘন পরিবর্তনের উদাহরণ দিতে গিয়ে সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার সময়ের স্মৃতিচারণ করেন রিয়াদ। তিনি জানান, অধিনায়ক যখনই তাঁকে পজিশন বদলাতে বলেছেন, তিনি দ্বিধাহীন চিত্তে তা মেনে নিয়েছেন।

রিয়াদের ভাষায়, মাশরাফি ভাই হয়তো আজ বললেন ৪ নম্বরে খেলতে, কাল বললেন ৫ নম্বরে। আবার ৫ নম্বরে রান পাওয়ার পরদিন হয়তো বললেন আজ ৬ নম্বরে নামতে হবে। আমি কখনো ‘না’ বলিনি।

নিজের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসেবে ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেই ভারত ম্যাচটি এখনও পোড়ায় মাহমুদউল্লাহকে। বেঙ্গালুরুর সেই ম্যাচে জয়ের খুব কাছে গিয়েও মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি বা ফিনিশিং দিতে না পারার আক্ষেপ তাঁর কণ্ঠে ঝরে পড়েছে। এই পরাজয়কে তিনি তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় ক্ষত হিসেবে অভিহিত করেছেন।

২০২৫ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানো এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মনে করেন, ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে দলের জয়ই তাঁর কাছে মুখ্য ছিল। আর সেই কারণেই বছরের পর বছর ধরে ব্যাটিং অর্ডারের এই ‘অস্থিরতা’কে হাসিমুখে বরণ করে নিয়েছেন তিনি।

সর্বশেষ সংবাদ

সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হককে জামিন: হাইকোর্ট

জুলাই আন্দোলনের সময় যুবদলকর্মী হত্যা, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রায় জালিয়াতিসহ চার মামলায় জামিনের রায়ে হাইকোর্ট বলেছেন, বয়স বিবেচনায় ৮১ বছর...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ