বর্তমানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা চরমে। এই প্রেক্ষাপটে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং নেতানিয়াহু ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে সংঘাতে জড়িত বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে, ইরানের হামলায় নেতানিয়াহু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন—এমন গুজবও ছড়িয়েছিল, যদিও সেগুলো পরে মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়।
‘নেতানিয়াহু মারা গেছেন’—ভাইরাল দাবি
তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, ওই অ্যাকাউন্টটির নাম দেখে সরকারি মনে হলেও সেটির সঙ্গে রাশিয়ার ক্রেমলিন বা কোনো সরকারি সংস্থার সম্পর্ক নেই। পোস্টে যে স্ক্রিনশট দেখানো হয়েছে, সেটিও ভুয়া বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।
ফ্যাক্টচেক অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর অফিসিয়াল অ্যাকাউন্ট থেকে এমন কোনো টুইট মুছে ফেলা হয়নি। বরং সাম্প্রতিক সময়ে তাদের একমাত্র পোস্ট ছিল জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের একটি ঘোষণা। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও ফ্যাক্টচেক সংস্থাও নেতানিয়াহুর মৃত্যুর গুজবকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে।
মার্কিন কর্মকর্তার প্রতিক্রিয়া ঘিরে জল্পনা
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকজন বিশ্লেষক ধারণা দেন যে নেতানিয়াহুর বিষয়ে কোনো বড় খবর থাকতে পারে। তবে এসবই ব্যক্তিগত অনুমান বলে উল্লেখ করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি স্কট বেসেন্ট।
‘ছয় আঙুল’ বিতর্কের ব্যাখ্যা
নেতানিয়াহুর ভিডিওতে ছয় আঙুল দেখা গেছে—এমন দাবিও পরে ভুল প্রমাণিত হয়। বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, ভিডিওর একটি স্থিরচিত্রে হাতের ভঙ্গি ও ক্যামেরার কোণের কারণে অপটিক্যাল ইলিউশন তৈরি হয়েছিল, যা দেখে ছয় আঙুল মনে হতে পারে।
সব মিলিয়ে, নেতানিয়াহুর মৃত্যু বা তার ভিডিও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি—এ ধরনের দাবির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বরং সাম্প্রতিক সময়েও তিনি প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছেন এবং ইরানসংক্রান্ত চলমান পরিস্থিতি নিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে।

