দুই মুসলিম নারী কংগ্রেস সদস্য-ইলহান ওমর ও রাশিদা তালিবকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিজ নিজ দেশে ‘ফেরত পাঠানো উচিত’ বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) তার স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণের সময় ওই দুই আইনপ্রণেতা প্রতিবাদ জানালে পরদিন তিনি এ মন্তব্য করেন। খবর রয়টার্সের।
ভাষণের সময় ওমর ও তালিব ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী কঠোর নীতির সমালোচনা করেন এবং হাউস চেম্বার ত্যাগের আগে চিৎকার করে বলেন, ‘আপনি আমেরিকানদের হত্যা করেছেন।’ বুধবার রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, তারা ‘অসৎ ও দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদের’ মতো আচরণ করেছেন। তিনি আরও দাবি করেন, গুরুত্বপূর্ণ ও আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে তাদের আচরণ ছিল ‘নিয়ন্ত্রণহীন’ এবং দেশের জন্য ক্ষতিকর।
ইলহান ওমরের জন্ম সোমালিয়ায় হলেও তিনি প্রায় তিন দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। অন্যদিকে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত রাশিদা তালিবের জন্ম মিশিগানের ডেট্রয়েটে; জন্মসূত্রেই তিনি মার্কিন নাগরিক। সমালোচকরা বলছেন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের এভাবে দেশ ছাড়ার কথা বলা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থি। তবে ট্রাম্প সমর্থকদের মতে, রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রতিবাদ জানানো ছিল অনুচিত। ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে।

