spot_img

বার্সেলোনাকে বড় ব্যবধানে হারিয়ে ফাইনালের পথে অ্যাথলেটিকো

অবশ্যই পরুন

ঘরের মাঠে বার্সেলোনার বিপক্ষে কোপা দেল রের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে মাঠে নেমেছিল অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ। যেখানে রীতিমতো কাতালানদের বিধ্বস্ত করেছে স্বাগতিকরা। এদিন দারুণ জয়ের মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টের ফাইনালে এক পা দিয়ে রাখল দিয়েগো সিমেওনের দল।

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে মেত্রোপলিতানো স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালের প্রথম লেগে বার্সেলোনাকে ৪-০ গোলে হারিয়েছে অ্যাথলেটিকো মাদ্রিদ। স্বাগতিকদের হয়ে একটি করে গোল করেন অঁতোয়ান গ্রিজমান, আদেমোলা লুকমান ও হুলিয়ান আলভারেস।

এদিন ম্যাচের শুরু থেকে বার্সেলোনাকে চেপে ধরে অ্যাথলেটিকো। তৃতীয় মিনিটেই সুবর্ণ সুযোগ পেয়ে যায় তারা। বক্সে ফাঁকায় বল পান জুলিয়ানো সিমেওনে। তবে তার প্রচেষ্টা এগিয়ে এসে পা দিয়ে ব্যর্থ করে দেন গোলরক্ষক গার্সিয়া। দুই মিনিট পরই মারাত্মক ভুলটা করে বসেন তিনি।

ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার ব্যাকপাসে ছিল না কোনো ঝুঁকি। বক্সে বলের ওপর পা রেখে আটকাতে গিয়ে অবিশ্বাস্যভাবে বল স্পর্শই করতে পারেননি স্প্যানিশ গোলরক্ষক! ছুটে গিয়ে ঝাঁপিয়ে বল ফেরানোর চেষ্টা করেন তিনি। এক ডিফেন্ডার বল ফেরালেও আগেই গোললাইন পেরিয়ে যায়।

চতুর্দশ মিনিটে আরেক গোল হজম করে আরও পিছিয়ে পড়ে বার্সেলোনা। ডান দিক থেকে নাহুয়েল মোলিনার পাস বক্সে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাঁ পায়ের কোনাকুনি নিচু শটে জালে পাঠান গ্রিজমান। কোণঠাসা হয়ে থাকা বার্সেলোনা প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ পায় ২০তম মিনিটে, কিন্তু ফের্মিন লোপেসের ভলি ক্রসবারে লাগে।

একের পর এক সুযোগ পেতে থাকে অ্যাথলেটিকো। ২৩তম মিনিটে হুলিয়ান আলভারেসের প্রচেষ্টা গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করেন ডিফেন্ডার জুল কুন্দে। ৩৩তম মিনিটে স্কোরলাইন ৩-০ করে ফেলে স্বাগতিকরা। আলভারেসের পাস বক্সে ফাঁকায় পেয়ে নিচু শটে জালে পাঠান সম্প্রতি দলটিতে যোগ দেওয়া লুকমান।

অ্যাথলেটিকোর জার্সিতে তিন ম্যাচে নাজেরিয়ার এই ফরোয়ার্ডের গোল হলো দুটি। ৩৭তম মিনিটে মার্ক কাসাদোর জায়গায় রবের্ত লেভানদোভস্কিকে নামান হান্সি ফ্লিক। ৪১তম মিনিটে ভালো সুযোগ পায় বার্সেলোনা। তবে লোপেসের শট ঠেকান গোলরক্ষক হুয়ান মুসো।

প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে চতুর্থ গোলের দেখা পায় আতলেতিকো। লুকমানের পাস বক্সের একটু বাইরে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জোরাল শটে জালে পাঠান আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড আলভারেস।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটা ভালো করে বার্সেলোনা। ৫২তম মিনিটে লামিনে ইয়ামালের ফ্রি-কিকে লোপেসের শট বক্সে আতলেতিকোর এক খেলোয়াড়ের পায়ে লেগে, লেভানদোভস্কির পা ছুঁয়ে পেয়ে জালে পাঠান পাউ কুবার্সি। কিন্তু আট মিনিট ধরে ভিএআর পরীক্ষা করে দেখার পর অফসাইডের বাঁশি বাজান রেফারি।

মাঝে অনেকটা সময় লক্ষ্যে শট নিতে পারেনি কেউ। নির্ধারিত সময়ের পাঁচ মিনিট বাকি থাকতে আরেক ধাক্কা খায় বার্সেলোনা। অ্যাথলেটিকোর আলেক্স বায়েনাকে ফাউল করে প্রথমে হলুদ কার্ড দেখেন এরিক গার্সিয়া। পরে মনিটরে দেখে তাকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। পরের মিনিটে সিমেওনেকে দানি ওলমোর ফাউল করাকে কেন্দ্র করে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে দুই দলের কয়েকজন। দুই দলের মোট তিন জনকে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি।

১০ মিনিট যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে ফেররান তরেসের হেড পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে যায়। বাকি সময়ে তেমন কিছু করতে পারেনি তারা। কোপা দেল রের গত আসরেও সেমিফাইনালে দেখা হয়েছিল এই দুই দলের।

প্রথম লেগে ঘরের মাঠে রোমাঞ্চকর ৪-৪ ড্রয়ের পর, ফিরতি লেগে মেত্রোপলিতানোয় ১-০ ব্যবধানে জিতে ফাইনালে উঠেছিল বার্সেলোনা। পরে রেয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে তারা উঁচিয়ে ধরেছিল ট্রফি। শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে টিকে থাকতে আগামী ৩ মার্চ কাম্প ন্যুয়ে ফিরতি লেগে অসাধারণ কিছু করে দেখাতে হবে ফ্লিকের দলকে।

সর্বশেষ সংবাদ

নির্বাচনে ঈদের উৎসবের মতো উৎসাহ ও স্বতঃস্ফূর্ততায় জনগণ অংশ নিয়েছেন: ইসি সানাউল্লাহ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঈদের উৎসবের মতো উৎসাহ ও স্বতঃস্ফূর্ততায় জনগণ অংশ নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি)...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ