১৯৭৭ সালে শিশুশিল্পী হিসেবে অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রজগতে পথচলা শুরু করেছিলেন ববি দেওল। পরবর্তীকালে বড় হয়ে ১৯৯৫ সালে ‘বাদল’ ছবির মাধ্যমে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। তবে ১৯৯৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘গুপ্ত’ ছবির মাধ্যমেই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। দীর্ঘ অভিনয়জীবনের নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে ২৭ জানুয়ারি ৫৭ বছরে পা দিলেন এই বলিউড অভিনেতা। প্রশ্ন উঠছে, দীর্ঘ এই ক্যারিয়ারে তিনি কত সম্পত্তির মালিক হয়েছেন?
এক সময় ‘সোলজার’-এর মতো ব্যবসাসফল ছবির নায়ক ছিলেন ববি দেওল। এরপর ‘বিচ্ছু’, ‘অজনবি’ ও ‘হমরাজ়’-এর মতো ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। ছবিগুলো বক্স অফিসে ঝড় না তুললেও সে সময় দর্শকদের নজর কাড়ে।
২০০৭ সালে ‘ঝুম বরাবর ঝুম’-এর মতো বড় বাজেটের ছবিতে অভিনয় করলেও সেটি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। এরপর ধীরে ধীরে বলিউড থেকে হারিয়ে যেতে থাকেন তিনি।
দীর্ঘ বিরতির পর সন্দীপ রেড্ডী বাঙ্গার হাত ধরে ২০২৩ সালে ‘অ্যানিম্যাল’ ছবিতে একেবারে ভিন্ন রূপে ফেরেন ববি দেওল। এই ছবির সাফল্যের পর থেকেই একের পর এক সফল কাজে তাকে দেখা যাচ্ছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য অনুরাগ কাশ্যপের ছবি ‘বান্দর’।
বর্তমানে ববি দেওল ৬৭ থেকে ৭০ কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক বলে জানা যায়। প্রতি ছবির জন্য তিনি চার থেকে আট কোটি টাকা পর্যন্ত পারিশ্রমিক নেন। পাশাপাশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রচার থেকেও তার বার্ষিক আয় প্রায় এক কোটি টাকা।
ববির স্ত্রী তান্যা দেওলের সম্পত্তির পরিমাণও কম নয়। পেশায় তিনি একজন ইন্টিরিয়র ডিজাইনার। জানা যায়, তান্যা প্রায় ৩০০ কোটি টাকার সম্পত্তির মালকিন। উত্তরাধিকার সূত্রে বাবার কাছ থেকে সম্পত্তির বড় অংশও তিনি পেয়েছেন।
ববি ও তান্যার সম্পত্তির তালিকায় রয়েছে মুম্বইয়ে তাদের একটি বিলাসবহুল বাংলো, যার মূল্য প্রায় ৬ কোটি টাকা। এ ছাড়া জুহু এলাকায় উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া আরও একটি বাংলো রয়েছে, যার দাম প্রায় ৬৫ কোটি টাকা বলে জানা যায়। গাড়ির সম্ভারে ববির রয়েছে রেঞ্জ রোভার ও মার্সিডিজ় বেঞ্জ-এর মতো বিলাসবহুল গাড়ি।
সূত্র: আনন্দবাজার

