spot_img

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে অস্তিত্বের সংকটে ন্যাটো, দোটানায় ইউরোপীয় নেতারা

অবশ্যই পরুন

দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফিরেই ন্যাটোর কেন্দ্রীয় মূলনীতিকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি দিয়ে তিনি আটলান্টিক পাড়ের দীর্ঘদিনের নিরাপত্তাব্যবস্থাকে নজিরবিহীন সংকটের দিকে ঠেলে দিয়েছেন। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রিনল্যান্ডের নিয়ন্ত্রণ নিতে প্রয়োজনে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিকল্পও প্রেসিডেন্টের টেবিলে রয়েছে।

ন্যাটোর মূল ভিত্তি হলো—এক সদস্য আক্রান্ত হওয়া মানে সবার ওপর হামলা। কিন্তু এখন জোটের প্রধান শক্তি যুক্তরাষ্ট্র নিজেই আরেক সদস্য ডেনমার্কের ভূখণ্ড দখলের হুমকি দিচ্ছে। ট্রাম্পের উপপ্রধান স্টাফ স্টিফেন মিলার সাফ জানিয়েছেন, “আমরা একটি পরাশক্তি এবং পরাশক্তির মতোই আচরণ করব।” এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিশ্বব্যবস্থাকে চরম অস্থিরতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন স্পষ্ট সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি ন্যাটোর কোনো সদস্যদেশের ওপর সামরিক অভিযান চালায়, তবে ন্যাটোর অস্তিত্বই অকার্যকর হয়ে পড়বে। তবে ফ্রান্স বা যুক্তরাজ্যের মতো বড় শক্তিগুলো রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেন যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা হারানোর ভয়ে প্রকাশ্যে কড়া সমালোচনা থেকে বিরত রয়েছে। তারা গ্রিনল্যান্ড রক্ষা এবং ইউক্রেনে মার্কিন সমর্থন বজায় রাখার মধ্যে এক কঠিন কূটনৈতিক দোটানায় পড়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ইতিমধ্যেই ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইউরোপ নিজেদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে আরও ৩ থেকে ৫ বছর সময় নেবে। এই মধ্যবর্তী সময়ে তারা অনেকটা নিরুপায় হয়েই ট্রাম্পের একক সিদ্ধান্তের মুখে নতিস্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছে। কোনো কোনো বিশ্লেষক এমনকি গ্রিনল্যান্ড নিয়ে সমঝোতা করতে ডেনমার্কের ওপর চাপের আশঙ্কাও দেখছেন।

আশার কথা হলো, মার্কিন নাগরিকদের বড় অংশই গ্রিনল্যান্ডে সামরিক হস্তক্ষেপের বিরোধী। ইউগভ-এর জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ৭ শতাংশ মার্কিনি এই দখলদারিত্ব সমর্থন করেন। তবে লন্ডনের কূটনীতিকদের আশঙ্কা, ট্রাম্প এবার গতবারের তুলনায় অনেক বেশি অনড় অবস্থানে রয়েছেন এবং তিনি শেষ না দেখে থামবেন না।

সর্বশেষ সংবাদ

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজনের আগ্রহ পাকিস্তানের

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচ আয়োজনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে বাংলাদেশ দল ভারতে...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ