spot_img

পৃথিবীর সবচেয়ে ‘অভিশপ্ত’ বাড়ি ক্রয়, অতঃপর…

অবশ্যই পরুন

তিন দশকের বেশি সময়ের অভিনয়জীবনে অস্কার জয়, বক্স অফিস সাফল্য ও ব্যর্থতা—সবই দেখেছেন নিকোলাস কেজ। আজ এই হলিউড অভিনেতার জন্মদিন। বিশেষ দিনে ফিরে দেখা যাক তার অভিনয়জীবনের উত্থান-পতন, ব্যতিক্রমী পছন্দ আর আলোচিত ব্যক্তিগত জীবনের গল্প।

হলিউডের সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় ও অপ্রত্যাশিত অভিনেতাদের একজন নিকোলাস কেজ। কখনো তিনি ব্লকবাস্টার অ্যাকশন ছবির নায়ক, আবার কখনো স্বাধীন ধারার সিনেমায় ঝুঁকিপূর্ণ চরিত্রে নিজেকে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছেন। অতিনাটকীয় অভিনয় থেকে শুরু করে সংযত ও সূক্ষ্ম অভিব্যক্তি—দুই ধারাতেই সাবলীল তার উপস্থিতি।

অভিনয়জীবনের শুরুতে কেজ পেয়েছিলেন মাত্র ৫ হাজার ডলার পারিশ্রমিক। ১৯৮৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সেই ছবির নাম ছিল ‘ভ্যালি গার্ল’। এর প্রায় এক দশক পর তার পারিশ্রমিক বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ৩ লাখ ডলারে।

‘দ্য রক’ ছবির সাফল্যের পর দ্রুতই তার পারিশ্রমিক বাড়তে থাকে। দেড় দশকের ক্যারিয়ারে একসময় তিনি দেড় কোটি ডলার পর্যন্ত পারিশ্রমিক নেন। ‘গন ইন সিক্সটি সেকেন্ডস’ ছবির জন্য তার পারিশ্রমিক ছিল ২ কোটি ডলার।

এক সময় বিপুল অর্থ উপার্জন করলেও সেই অর্থের বড় অংশই তিনি খরচ করেছেন গাড়ি ও বাড়ি কেনায়। পাশাপাশি ছিল কিছু অদ্ভুত শখও। ২০০৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানার নিউ অরলিন্সে তিনি একটি বাড়ি কিনে ফেলেন, যার নাম ছিল ‘দ্য লালারে ম্যানসন’। এটি ছিল ডেলফিনে লালারে নামের এক নারীর বাড়ি।

বাড়িটি কেনার পর কেজ জানতে পারেন, ডেলফিনে লালারে ছিলেন পৃথিবীর প্রথম নারী সিরিয়াল কিলার। এই কারণে বাড়িটিকে বলা হয় ‘পৃথিবীর সবচেয়ে অভিশপ্ত বাড়ি’।

জানা যায়, সেখানে বসে একটি ভয়ের উপন্যাস লেখার ইচ্ছা থেকেই নিকোলাস কেজ বাড়িটি কিনেছিলেন। উপন্যাসটি লেখা হয়েছিল কি না, তা জানা যায়নি। তবে ২০০৯ সালে তিনি বাড়িটি বিক্রি করে দেন।

অভিনয় থেকে অর্জিত বিপুল অর্থের খুব অল্পই নিজের কাছে ধরে রাখতে পেরেছেন এই অভিনেতা। ব্যক্তিগত জীবনেও ছিল অস্থিরতা। তার একাধিক সংসার ভেঙেছে। খামখেয়ালি স্বভাব ও অপ্রয়োজনীয় খরচের কারণে অর্থ অপচয়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এর একটি আলোচিত ঘটনা ছিল ডাইনোসরের খুলি কেনা।

এক নিলামে নিকোলাস কেজ একটি ডাইনোসরের খুলি কিনে ফেলেন, যার দাম ছিল প্রায় ২ লাখ ৭৬ হাজার ডলার—বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় আড়াই কোটি টাকা। পরে জানা যায়, খুলিটি মঙ্গোলিয়া থেকে চুরি করা হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর তিনি খুলিটি সরকারের কাছে ফেরত দেন।

ব্যক্তিগত জীবনেও নিকোলাস কেজ ছিলেন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। তিনি মোট পাঁচবার বিয়ে করেছেন। তার প্রথম স্ত্রী ছিলেন অভিনেত্রী প্যাট্রিসিয়া আর্কেট। এই সংসার টিকেছিল ছয় বছর। দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন এলভিস প্রিসলির মেয়ে, শিল্পী ও গীতিকার লিসা ম্যারি প্রিসলি। এলভিস প্রিসলির বড় ভক্ত ছিলেন কেজ নিজে। ২০০২ সালে বিয়ের মাত্র ১০৭ দিনের মাথায় তাদের বিচ্ছেদ ঘটে।

২০০৪ সালে তিনি তৃতীয়বার বিয়ে করেন এলিস কিমকে। এই সংসারে জন্ম নেয় কেজের প্রথম সন্তান। প্রায় এক যুগ পর ২০১৬ সালে তাদের বিচ্ছেদ হয়। এরপর ২০১৯ সালে এরিকা কৈকে নামের এক নারীকে বিয়ে করলেও মাত্র তিন মাসের মধ্যেই সেই সংসারের ইতি ঘটে। সবশেষ ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জাপানি প্রেমিকা রিকো শিবাতাকে বিয়ে করেন নিকোলাস কেজ।

সর্বশেষ সংবাদ

পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে বড় কোনো দ্বিপক্ষীয় বিরোধ নেই

সীমান্তে উত্তেজনার পরও আফগানিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ এখনও অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মুখপাত্র তাহির হুসেইন আন্দ্রাবি। বৃহস্পতিবার...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ