spot_img

শিশুর মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে ইউনিসেফের পরামর্শ

অবশ্যই পরুন

ব্যস্ত জীবনে কাজের চাপ, পারিবারিক দুশ্চিন্তা আর সামাজিক প্রত্যাশার ভিড়ে অনেক সময়ই সন্তানের মনের খবর রাখা হয়ে ওঠে না। অথচ শৈশব ও কৈশোরে পাওয়া মানসিক যত্নই একটি শিশুর ভবিষ্যৎ জীবনকে সুস্থ, আত্মবিশ্বাসী ও সুখী করে তোলে। এই বাস্তবতাকে সামনে রেখে জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) শিশুদের মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে দিয়েছে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ। ইউনিসেফ বলছে, ভালোবাসা ও যত্নে বেড়ে ওঠা শিশুরা মানসিক সুস্থতায় এগিয়ে থাকে, যা তাদের একটি সুখী ও পরিপূর্ণ জীবন গড়তে সাহায্য করে। চলুন জেনে নেয়া যাক ইউনিসেফের সেই ১০টি পরামর্শ—

  • সন্তানকে বোঝান সে একা নয়

আপনার সন্তান যেন নিশ্চিত থাকে, যেকোনো সমস্যা বা অনুভূতি নিয়ে সে আপনার কাছে আসতে পারে। তাকে জানান, প্রয়োজনে আপনি সবসময় তার পাশে আছেন।

  • তাকে বলুন বড়রাও সব সমস্যার সমাধান জানে না 

সন্তানকে বুঝিয়ে বলুন, বড়রাও অনেক সময় সাহায্য ছাড়া সমস্যার সমাধান করতে পারে না। সাহায্য চাওয়া দুর্বলতা নয় এটাই শক্তি।

  • আবেগ প্রকাশে বাধা দেবেন না

ছেলে বা মেয়ে যে-ই হোক, সন্তানের আবেগকে গ্রহণ করুন। কাঁদা, ভয় পাওয়া বা দুশ্চিন্তা করা স্বাভাবিক।

  • অনুভূতি ভাগ করতে উৎসাহ দিন

বিশেষ করে কিশোর-কিশোরীদের মনোজগত জটিল হয়। তাদের অনুভূতির কথা বলার সুযোগ দিন, চাপ দেবেন না।

  • প্রতিদিন খোঁজ নিন

‘আজ দিনটা কেমন গেল?’ এই একটি প্রশ্নই সন্তানের সঙ্গে মানসিক দূরত্ব কমাতে পারে। সন্তানের সঙ্গে প্রতিদিন কথা বলুন।

  • একা থাকার জায়গা দিন

সবসময় নজরে রাখলেও, সন্তানকে নিজের মতো সময় কাটানোর সুযোগ দিন। এটি মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

  •  দুশ্চিন্তা করা স্বাভাবিক এ কথা জানান

কিশোর বয়সে দুশ্চিন্তা, চাপ বা মন খারাপ হওয়া খুবই স্বাভাবিক। এতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই এ কথা স্পষ্ট করে বলুন।

  • অনুভূতির কথা বলা সাহসের কাজ

নিজের মনের কথা বলা কখনো কখনো কঠিন লাগে এটা স্বাভাবিক। তবে সাহায্য চাইতে শেখাটাই সঠিক পথ।

  • বিকল্প ভরসার মানুষ খুঁজে দিন

যদি সন্তান আপনার সঙ্গে কথা বলতে না চায়, তাহলে আত্মীয়, পারিবারিক বন্ধু, শিক্ষক, কোচ বা চিকিৎসকের কথা বলুন।

  • সমাধান খুঁজতে পাশে থাকুন

সন্তান হতাশ বা বিরক্ত হলে তার সমস্যা নিয়ে একসঙ্গে ভাবুন। সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে সমাধান খোঁজার সঙ্গী হন।

শিশুর মানসিক সুস্থতার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শিশুর মনের যত্ন নিতে হবে। শিশুকে  নিজের অনুভূতি বোঝা এবং সেটা প্রকাশ করার বিষয়টি বুঝিয়ে বলুন। এবং প্রয়োজন হলে আপনি তার পাশে থাকবেন এই বিষয়টি শিশু যখন বুঝতে পারবে সে সময়ের সঙ্গে মানসিকভাবে অনেক শক্ত হয়ে উঠবে। আর সে কারণেই শিশুকে সময় দিন তার কথা  মনোযোগ দিয়ে শুনুন।

সূত্র: এনডিটিভি 

সর্বশেষ সংবাদ

অত্যাবশ্যক তালিকায় নতুন করে যুক্ত হলো আরও ১৩৬ ওষুধ

অত্যাবশ্যক ওষুধের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে নতুনমাত্রায় যোগ হয়েছে ১৩৬টি ওষুধ— এমনটাই জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ডা....

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ