spot_img

লন্ডনে ফিলিস্তিনের দূতাবাস উদ্বোধন, ‘ঐতিহাসিক’ পদক্ষেপ বললেন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত

অবশ্যই পরুন

যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে ফিলিস্তিনের দূতাবাস উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দূতাবাসটি উদ্বোধন করা হয়। এ সময় ফিলিস্তিন ও যুক্তরাজ্যের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

লন্ডনের হ্যামারস্মিথে ফিলিস্তিনের মিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে দূতাবাসে উন্নীত করাকে ‘ঐতিহাসিক’ ও ‘যুগান্তকারী’ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত হুসাম জুমলাত। এর আগে এই মিশনটি ‘প্যালেস্টিনিয়ান জেনারেল ডেলিগেশন’ নামে পরিচিত ছিল। খবর ইন্ডিপেন্ডেন্ট

দূতাবাস উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত জুমলাত বলেন, ‘এটি কেবল নাম পরিবর্তন নয়। আমরা যে ফলক উন্মোচন করছি, তা আনুষ্ঠানিকতার চেয়েও অনেক বেশি কিছু নির্দেশ করে। এটি একটি নতুন দিকের সূচনা, যা আজকের বাস্তবতাকে প্রতিফলিত করে। একটি বাস্তবতা, যা অবশেষে দ্ব্যর্থহীনভাবে আমাদের সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠনের অখণ্ড অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে।’

‘গাজা অধিকৃত পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম, শরণার্থী শিবির ও প্রবাসে থাকা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ফিলিস্তিনিদের জন্য এই দূতাবাস প্রমাণ করে যে, আমাদের পরিচয় মুছে ফেলা যাবে না, আমাদের উপস্থিতি অস্বীকার করা যাবে না এবং আমাদের জীবন অবমূল্যায়ন করা যাবে না।’

তিনি বলেন, এই অর্জন এসেছে ‘১০০ বছরের নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রামের’ ফল হিসেবে। তবে একই সঙ্গে তিনি গাজার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বলেন, গাজার মানুষ নরকের মতো জীবনযাপন করছে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখে ওবাইদাহ নামের এক ১৪ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি শরণার্থী কিশোর। গত বছর গাজায় ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে আহত হওয়ার পর চিকিৎসার জন্য তাকে যুক্তরাজ্যে নেয়া হয়।

ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত হওয়ার আশা প্রকাশ করে ওবাইদাহ বলেন, যুক্তরাজ্যে একটি ফিলিস্তিনি দূতাবাস থাকা অত্যন্ত অর্থবহ। এটি এমন একটি জায়গা, যেখানে আমাদের মানুষ হিসেবে দেখা হয়, আমাদের কথা শোনা হয় এবং ন্যায়বিচার ও মর্যাদায় আমাদের আশা বেঁচে থাকে।

এদিকে সোমবার গাজায় বাস্তুচ্যুতদের জন্য স্থাপিত একটি তাঁবুতে ইসরায়েলি হামলায় পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যাশিশু ও তার চাচা নিহত হন এবং হামলায় দুই শিশু আহত হয় বলে হাসপাতাল কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

দক্ষিণ গাজা উপত্যকার খান ইউনিসের উত্তর-পশ্চিমে আল-মুওয়াসি এলাকায় এ হামলাটি ঘটে বলে নাসের হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানান। মরদেহ হাসপাতালে আনা হলে স্বজনদের কান্নায় পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।

গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর থেকে গাজায় ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, তারা দক্ষিণ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি সেনাদের ওপর আসন্ন হামলার পরিকল্পনাকারী এক হামাস যোদ্ধাকে লক্ষ্য করে আঘাত হেনেছে।

তবে ওই বিবৃতিটি তাঁবুতে সংঘটিত প্রাণঘাতী হামলার সঙ্গে সম্পর্কিত কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট হয়নি। একই সঙ্গে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ধারাবাহিকতার কারণে তারা দক্ষিণ ও পূর্ব লেবাননে হিজবুল্লাহ ও হামাসের লক্ষ্যবস্তুতে হামলা শুরু করেছে।

সর্বশেষ সংবাদ

জকসুতে শীর্ষ তিন পদেই ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের জয়

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি, জিএস, এজিএস প্রার্থীরা স্ব স্ব...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ