spot_img

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বান

অবশ্যই পরুন

ভেনেজুয়েলায় হামলা করে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে তুলে নেওয়া ও ক্ষমতাচ্যুত করার ঘটনায় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক আহ্বান করা হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্র মতে, সোমবার (৫ জানুয়ারি) এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। কলম্বিয়ার অনুরোধে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট পরিষদের এই বৈঠক ডাকা হয়েছে। বৈঠকের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে রাশিয়া ও চীন। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক আইনের জন্য একটি বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তার মতে, কোনও সার্বভৌম রাষ্ট্রে সামরিক হস্তক্ষেপ জাতিসংঘ সনদের মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং তা বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে গত অক্টোবর ও ডিসেম্বর মাসে দু’বার বৈঠক করেছিল জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ। তবে সাম্প্রতিক অভিযানের ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল ও সংকটপূর্ণ হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা।

সম্প্রতি ট্রাম্প ভেনিজুয়েলা প্রসঙ্গে বলেছেন, যতদিন না ভেনেজুয়েলায় একটি নিরাপদ, সঠিক ও সুবিবেচিত ক্ষমতা হস্তান্তর নিশ্চিত করা যায়, ততদিন ওয়াশিংটন দেশটি পরিচালনা করবে। তবে ভেনেজুয়েলার প্রশাসন পরিচালনায় যুক্তরাষ্ট্র কী ধরনের কাঠামো বা পদ্ধতি অনুসরণ করবে, সে বিষয়ে কোনও স্পষ্ট পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়নি।

ভেনেজুয়েলা সরকার যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিযানের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। জাতিসংঘে নিযুক্ত ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রদূত স্যামুয়েল মোনকাদা শনিবার নিরাপত্তা পরিষদের কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এই অভিযানের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি একে ঔপনিবেশিক যুদ্ধ হিসেবে বর্ণনা করে। তিনি বলেন, এটি ভেনেজুয়েলার জনগণের দ্বারা স্বাধীনভাবে নির্বাচিত প্রজাতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থা ধ্বংস করার চেষ্টা।

অপর দিকে জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে বলেছেন, এটি কোনও শাসন পরিবর্তনের চেষ্টা নয়, এটি ন্যায়বিচার। মাদুরো ছিলেন একজন অভিযুক্ত ও অবৈধ স্বৈরশাসক, যিনি একটি ঘোষিত মাদক-সন্ত্রাসী সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং যার কর্মকাণ্ডে মার্কিন নাগরিকরা নিহত হয়েছেন।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবারের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্ব, আন্তর্জাতিক আইন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হস্তক্ষেপের বৈধতা নিয়ে তীব্র বিতর্ক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সর্বশেষ সংবাদ

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি গবেষণায় স্বতন্ত্র ইনস্টিটিউশন গঠনের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন, গবেষণা এবং নীতিনির্ধারণকে প্রাতিষ্ঠানিক ও শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে একটি স্বতন্ত্র...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ