spot_img

গাজার রাফাহ সীমান্তে অ্যাঞ্জেলিনা জোলি

অবশ্যই পরুন

হলিউড অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলি গাজার রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং পরিদর্শন করেছেন। শুক্রবার জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার সাবেক এ বিশেষ দূত মিশরে এক মানবিক সফরের সময় রাফা ক্রসিং সফর করেছেন।

ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় নিয়োজিত কয়েক ডজন আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থার কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণার সময় তার এ সফর বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। যে সব আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা তাদের নিবন্ধন নবায়ন করেনি, তাদের কার্যক্রম বন্ধ করেছে ইসরায়েল। নিবন্ধনের শর্ত হিসেবে গাজায় কর্মরত সংস্থার কর্মীদের ব্যক্তিগত তথ্য সরবরাহ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। কর্মীদের ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়ার বিষয়টি নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি তৈরি করতে পারে বলে ত্রাণ সংস্থাগুলো বারবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

রাফাহ সফর বিষয়ে বিবৃতিতে জোলি বলেন, ‘আমি মানবিক সংস্থাগুলোর সঙ্গে কথা বলেছি, তারা গাজায় সহায়তা পৌঁছে দিতে বিভিন্ন বিধিনিষেধ ও ঝুঁকির মধ্যেও সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। গাজায় ঢুকতে না দেয়া ত্রাণ সামগ্রী, যার বেশিরভাগই চিকিৎসা সরঞ্জামের ভরা এমন একটি বড় গুদাম আমি ঘুরে দেখেছি।’

ইসরায়েলের এই সিদ্ধান্তের ফলে ১০টি দেশ সতর্ক করেছে, গাজার মানবিক পরিস্থিতি নতুন করে আবারও অবনতির মুখে পড়েছে এবং উপত্যকাটির অবস্থা এখনো ‘চরমভাবে বিপর্যস্ত’। ইসরায়েলের দাবি, হামাস যাতে আন্তর্জাতিক সহায়তার অপব্যবহার করতে না পারে, সে কারণেই এসব নিবন্ধন বিধি জারি করা হয়েছে। তবে জাতিসংঘ ও ত্রাণ সংস্থাগুলো এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের এক পর্যালোচনায়ও হামাসের মাধ্যমে ব্যাপক সহায়তা চুরির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ধ্বংসস্তূপে পরিণত গাজা বর্তমানে কষ্টকর শীতকাল পার করছে। ভারী বৃষ্টি ও তীব্র ঠান্ডা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত সরকার জানিয়েছে, প্রবল বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় বহু অস্থায়ী তাঁবু ধ্বংস হয়ে গেছে। খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে আশ্রয় নিতে গিয়ে ঘরবাড়ি ও ভবন ধসে অন্তত ২০ জন নিহত হয়েছেন।

সফরকালে জোলি মিশরের রেড ক্রিসেন্ট ও অন্যান্য স্থানীয় ত্রাণ সংস্থার কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং গাজায় কীভাবে অতিরিক্ত সহায়তা পাঠানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা করেন।

তিনি সেখানে (গাজায়) করণীয় নিয়ে সুপারিশ করে বলেন,‘প্রতিটি মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ, একদিন দেরি হলেই প্রাণহানি ঘটবে। যুদ্ধবিরতি বজায় রাখতে হবে এবং ধারাবাহিকভাবে নিরাপদ সহায়তা প্রবেশের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে। দ্রুত ও পর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় পরিমাণে ত্রাণ, জ্বালানি ও জরুরি চিকিৎসা সামগ্রী পৌঁছাতে হবে। শীতবস্ত্র ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জাম কোনো বিলম্ব ছাড়াই পাঠানো উচিত।’

স্বেচ্ছাসেবক যারা ত্রাণ সহায়তায় নিয়োজিত তাদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন জোলি। মিশরে অবস্থানকালে তিনি ফিলিস্তিনি ও সুদানী শরণার্থী পরিবারগুলোর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করছেন।

সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

সর্বশেষ সংবাদ

৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ও উদ্ভাবনী সক্ষমতা প্রদর্শনের লক্ষ্য নিয়ে পর্দা উঠল ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার (ডিআইটিএফ)। শনিবার (৩...

এই বিভাগের অন্যান্য সংবাদ